জার্মানি-১ : পর্তুগাল-২
(রিটজ) (কনসেসাও, রোনাল্ডা)
জার্মানি-১ : পর্তুগাল-২
(রিটজ) (কনসেসাও, রোনাল্ডা)
মিউনিখ: বয়স ৪০। তাঁর অবসর নিয়ে প্রায়শই জোর চর্চা চলে বিশ্ব ফুটবলে। কিন্তু ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো অপ্রতিরোধ্য। পর্তুগাল জাতীয় দলে এখনও সিআরসেভেনের বিকল্প নেই। বুধবার রাতে নেশনস লিগ সেমি-ফাইনালে জার্মানির বিরুদ্ধে পর্তুগালের ২-১ ব্যবধানে ঐতিহাসিক জয়ে রোনাল্ডোই অন্যতম নায়ক। নুনো মেন্ডেজের পাস থেকে জয়সূচক গোলটি আসে পর্তুগিজ মহাতারকাই পা থেকে। সোশ্যাল সাইটে পোস্ট করেছে রোনাল্ডো লিখেছেন, ‘এগিয়ে চলো পর্তুগাল।’
২০০০ সালের ইউরো কাপে শেষবার জার্মানিকে হারায় পর্তুগাল। আর জার্মানির মাটিতে পর্তুগালের জয়? ১৯৮৫’র পর শুধুই শূন্যতা। ফুটবল মাঠে জার্মানির সেই আধিপত্যে বড় ধাক্কা দিল রোনাল্ডার পর্তুগাল। ২০১৯ সালের পর ফের শিরোপা জেতার সুযোগ ইউসেবিওর দেশের সামনে। ঘরের মাঠে প্রথমার্ধে জার্মানরা দাপট দেখালেও গোলের দরজা খোলেনি। বরং উল্টারমেড ও গোরেৎজকার শট বাঁচিয়ে দুর্গরক্ষা করেন পর্তুগালের গোলরক্ষক দিয়েগো কোস্তা। বিরতির পরেই অবশ্য কাঙ্ক্ষিত লিড পায় নাগেলসম্যানের দল। এক্ষেত্রে কিমিচের পাস থেকে জাল কাঁপান রিটজ (১-০)। তবে লিড বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ম্যাচের ৬৩ মিনিটে একক দক্ষতায় পর্তুগালকে সমতায় ফেরান কনসেসাও। প্রায় ৩০ গজের সোলো রানের পর দুরন্ত শট আছড়ে পড়ে জালে (১-১)। উল্লেখ্য, ২৫ বছর আগে জার্মানিকে হারানোর ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেন তাঁর বাবা সের্গিও কনসেসাও। সেই রাস্তায় হেঁটেই জাল কাঁপালেন ছেলে। এর পাঁচ মিনিট পরেই মেন্ডেজের পাস নিখুঁত প্লেসিংয়ে জালে জড়ান রোনাল্ডো (২-১)। শেষদিকে অবশ্য সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিলেন লেরয় সানে, কিমিচরা। কিন্তু করিম আদেয়েমির শট পোস্টে প্রতিহত হয়। দুরন্ত জয়ের পর পর্তুগাল কোচ রবার্তো মার্তিনেজের মন্তব্য, ‘গোটা দলের মধ্যে জয়ের খিদে ছড়িয়ে দিয়েছে রোনাল্ডো।’