Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

ব্যর্থ রোহিত-কোহলি, শোচনীয় হার ভারতের

রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলির সাত মাস পর জাতীয় দলে ফেরা স্মরণীয় হল না। শুভমান গিলের একদিনের ক্রিকেটে নেতৃত্বাভিষেকেও প্রাপ্তির ভাঁড়ার শূন্য।

ব্যর্থ রোহিত-কোহলি, শোচনীয় হার ভারতের
  • ২০ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

পারথ: রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলির সাত মাস পর জাতীয় দলে ফেরা স্মরণীয় হল না। শুভমান গিলের একদিনের ক্রিকেটে নেতৃত্বাভিষেকেও প্রাপ্তির ভাঁড়ার শূন্য। ডাকওয়ার্থ-লুইস নিয়মে সিরিজের প্রথম ওডিআই ম্যাচে ৭ উইকেটে জিতল অস্ট্রেলিয়া। বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে ২৬ ওভারে অজিদের করতে হতো ১৩১। অধিনায়ক মিচেল মার্শের অপরাজিত ৪৬ রানের সুবাদে ২৯ বল বাকি থাকতেই লক্ষ্যে পৌঁছয় হোমটিম। সেই সঙ্গে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ এগিয়ে গেল অস্ট্রেলিয়া। বৃহস্পতিবার অ্যাডিলেডে দ্বিতীয় ম্যাচ ভারতের কাছে এখন সিরিজ বাঁচানোর লড়াই।

Advertisement

মেঘলা পরিবেশে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে কখনওই স্বস্তিতে ছিল না টিম ইন্ডিয়া। ১৪ বল খেলে রোহিত করেন ৮। জস হ্যাজলউডের বাড়তি বাউন্সে খোঁচা দিয়ে ফিরতে হয় হিটম্যানকে। আর কোহলি খাতাই খোলেননি। মিচেল স্টার্কের ডেলিভারিতে তাঁর শট ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে শরীর ছুড়ে তালুবন্দি করেন কুপার কনোলি। ‘রো-কো’ ফেরার পর বেশিক্ষণ থাকেননি ক্যাপ্টেন গিলও। ২৫ রানে তিন উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে ভারত। বারবার বৃষ্টিতে বাধা পড়ে ম্যাচে। একসময় ওভারসংখ্যা কমে দাঁড়ায় ৩৫। পরে তা পরিণত হয় ২৬ ওভারের ম্যাচে। শ্রেয়স আয়ার (১১) ফেরার পর ভারতীয় ইনিংসকে ভরসা জোগান অক্ষর প্যাটেল (৩১) ও লোকেশ রাহুল (৩৮)। শেষের দিকে ওডিআই ফরম্যাটে অভিষেক হওয়া নীতীশ রেড্ডি (১১ বলে অপরাজিত ১৯) চালিয়ে খেলেন। তাঁর জন্যই ৯ উইকেটে ১৩৬ ওঠে। কিন্তু ডাকওয়ার্থ-লুইস নিয়মে অস্ট্রেলিয়ার টার্গেট দাঁড়ায় ১৩১।
ওপেনার ট্রাভিস হেড (৮) ও তিন নম্বরে নামা ম্যাথু শর্ট (৮) দ্রুত ফিরলেও অস্ট্রেলিয়াকে টানলেন মিচেল মার্শ। ৫২ বলের ইনিংসে তিনটি ছক্কা ও দুটো বাউন্ডারি মারেন তিনি। ‘ম্যাচের সেরা’ মার্শের সঙ্গে সঙ্গতে থাকলেন জস ফিলিপ (৩৭) এবং ম্যাট রেনশ (অপরাজিত ২১)। স্বল্প রানের পুঁজি নিয়ে ভারতীয় বোলাররা সঠিক লাইন-লেংথে টানা বল করতে পারলেন না। ফলে অস্ট্রেলিয়া কখনওই চাপে পড়েনি।
পরাজয়ের পর মাঠেই শুরু হয়ে যায় ভারতের টিম মিটিং। প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীরকে দেখা যায় ব্যাটিং কোচ সীতাংশু কোটাক, বোলিং কোচ মর্নি মর্কেল ও ক্যাপ্টেনের সঙ্গে গভীর আলোচনায় মগ্ন। আসলে পারথের বাড়তি গতি ও বাউন্সের সামনে অসহায় দেখিয়েছে ব্যাটারদের। বোলিংয়েও ছিল না শৃঙ্খলা। ফলে তাঁর মাথাব্যথার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। গিল পরে বলেন, ‘পাওয়ার প্লে’তে তিন উইকেট হারানোর পর ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন হয়ে যায়। তবে আমরা হতাশ নই। এই পরাজয়েও কিছু ইচিবাচক দিক রয়েছে।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ