


নয়াদিল্লি: বয়স শুধুই সংখ্যা মাত্র। সেটা কয়েকদিন আগেই প্রমাণ করেছেন রোহিত শর্মা। ৩৮-এও তিনি যেন তরুণ তুর্কি। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ওয়ান ডে সিরিজে ঝলসে উঠেছিল তাঁর ব্যাট। একটা সেঞ্চুরি সহ সর্বাধিক ২০২ রান করে সিরিজের সেরাও হয়েছেন। অথচ তাঁর কেরিয়ার নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন। আসলে রোহিতের মতো ক্রিকেটারদের স্রেফ বয়সের নিরিখে যাচাই করতে যাওয়াটাই ভুল। রানের খিদে বিন্দুমাত্র কমেনি। ফর্মের ঘাটতি কখনও কখনও দেখা দিলেও লক্ষ্যে অবিচল থেকেছেন সর্বদা। অস্ট্রেলিয়া সফরে নতুন করে নিজেকে প্রমাণ করার চ্যালেঞ্জ ছিলই। ব্যর্থ হলে ধরিয়ে দেওয়া হতো ‘ভিআরএস লেটার’। অর্থাৎ চিরকালের জন্য জাতীয় দলের দরজা কার্যত বন্ধ। সেক্ষেত্রে অবসর নেওয়া ছাড়া কোনও পথ খোলা থাকত না। এমন পরিস্থিতিতে মাঠে নেমে সেরাটা মেলে ধরা সহজ নয়। কিন্তু রোহিত করে দেখিয়েছেন। নিন্দুকদের মুখে ঝামা ঘষে আইসিসি’র ওডিআই র্যাঙ্কিংয়ে ব্যাটারদের ক্রমতালিকায় দখল করেছেন শীর্ষস্থান। সবচেয়ে বেশি বয়সে (৩৮ বছর ১৮২ দিন) র্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বর হয়ে হিটম্যান জায়গা করে নিয়েছেন রেকর্ড বুকে। তিনি ভেঙে দিয়েছেন শচীন তেন্ডুলকরের রেকর্ড। উল্লেখ্য, ২০১১ সালে ৩৮ বছর ৭৩ দিন বয়সে টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে পৌঁছেছিলেন মাস্টার ব্লাস্টার। সব ফরম্যাট মিলিয়ে এতদিন সেটাই ছিল সবচেয়ে বেশি বয়সে আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বর হওয়ার নজির। শচীনকে ছাপিয়ে যাওয়ার পথে কাদের পিছনে ফেললেন রোহিত? হাঁটুর বয়সী শুভমান গিলকে। দু’ধাপ উন্নতি করে একেবারে মগডালে রোহিত। রেটিং পয়েন্ট ৭৮১। দ্বিতীয় স্থানে আফগানিস্তানের ইব্রাহিম জাদরান (৭৬৪)। আর গিল (৭৪৫) এক নম্বর থেকে এক ঝটকায় তিনে। আসলে অস্ট্রেলিয়ায় ওয়ান ডে সিরিজে ভারত অধিনায়ক প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছিলেন। তার প্রভাব পড়েছে র্যাঙ্কিংয়ে। তালিকায় বিরাট কোহলি এক ধাপ নেমে ছয়ে। প্রথম দশে রয়েছেন আর এক ভারতীয় ক্রিকেটার শ্রেয়স আয়ার। তিনি নবম স্থানে উঠে এসেছেন।