


সংবাদদাতা, মানকর: ১৯নম্বর জাতীয় সড়কে আচমকা দাঁড়িয়ে পড়ছে যাত্রীবাহী বাস। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাসে ওঠা-নামা করছেন যাত্রীরা। সমস্যায় পড়ছেন বাসের পিছনে দ্রুতগতিতে আসা গাড়ি ও বাইক চালকরা। তাঁদের অভিযোগ, আচমকা বাস দাঁড়িয়ে পড়ায় গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণ করতে বেগ পেতে হচ্ছে। পুলিস বিষয়টি দেখার আশ্বাস দিয়েছে।
জাতীয় সড়কের রাজবাঁধ, কোটা মোড় সহ একাধিক জায়গায় রাস্তার উপরেই বাস দাঁড়াচ্ছে। রাজবাঁধের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, দুর্গাপুর ও পানাগড়ের মাঝে রাজবাঁধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাস স্টপেজ। এখানে আসানসোল ডিভিশনের রাজবাঁধ স্টেশন থাকলেও এলাকার বহু মানুষ বাসের উপর নির্ভরশীল। কিন্তু দুর্গাপুরগামী বাসগুলি সার্ভিস রোড ধরে রাজবাঁধের নির্দিষ্ট স্টপেজে আসে না। জাতীয় সড়ক ধরেই বেরিয়ে যায়। যাত্রী থাকলে সেখানেই নামিয়ে দেয়। বর্ধমানগামী বেশকিছু বাসের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা হচ্ছে। কোটার এক যাত্রী জানান, পানাগড় রেলওয়ে ব্রিজ থেকে নেমে জাতীয় সড়কের পাশেই রয়েছে সার্ভিস রোড। সেখানে বাস থামার নির্দিষ্ট জায়গা আছে। কিন্তু অনেক বাসই জাতীয় সড়কের উপর যাত্রীদের নামিয়ে দিচ্ছে। বাইক আরোহী মহেশ্বর ঘোষ বলেন, আমি প্রতিদিন বাইকে গলসি থেকে দুর্গাপুর যাই। রাজবাঁধে সার্ভিস রোড থাকলেও, সেখান দিয়ে দুর্গাপুরগামী বাস যায় না। বদলে, জাতীয় সড়কে যাত্রী ওঠা-নামা চলে। যাত্রী তুলতে আচমকা বাস দাঁড়িয়ে যায়। তাতে পিছনে আসতে থাকা গাড়ির সমস্যা হয়। নজর না দিলে যেকোনও সময় দুর্ঘটনা ঘটে যাবে। যাত্রীদের একাংশের অভিযোগ, বাধ্য হয়ে অনেকটা রাস্তা হেঁটে জাতীয় সড়কের পাশে এসে বাস ধরার জন্য দাঁড়াতে হচ্ছে। ঝুঁকি নিয়ে বাসের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। বাসযাত্রী সঞ্জয় লাহা বলেন, বাসের জন্য রোদের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। বৃষ্টি হলে ভিজতে হয়। অথচ, বাসস্ট্যান্ডে যাত্রীদের জন্য নির্দিষ্ট জায়গা রয়েছে। কাঁকসা ট্রাফিক সূত্রে জানা গিয়েছে, খারাপ অবস্থায় থাকা সার্ভিস রোডগুলি মেরামতের বিষয়ে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা হয়েছে। কাজও চলছে। এই বিষয়টিও নজরে রয়েছে। ‘সেফ ড্রাইভ, সেভ লাইফ’ নিয়ে প্রায়ই সচেতনতা শিবির করা হয়।