Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

রামপুরহাটে লাল চন্দনগাছ কেটে পাচারে অভিযুক্তদের জামিন নাকচ

রামপুরহাটে লাল চন্দনগাছ কেটে পাচারে অভিযুক্তদের জামিন নাকচ
  • ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, রামপুরহাট: জঙ্গল থেকে লাল চন্দনের গাছ কেটে পাচারের ঘটনায় ধৃতদের জামিন নাকচ করল রামপুরহাট আদালত। সোমবার ধৃত চারজনকে আদালতে তোলা হয়। সরকারি আইনজীবী সৈকত হাটি জানান, এসিজেএম প্রজ্জ্বল ঘোষ ধৃতদের জামিন নাকচ করে তিনদিন পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। ধৃতদের জেরা করে মূল্যবান গাছ কেটে পাচারের ঘটনায় আর কারা যুক্ত-তা জানার চেষ্টা করবে পুলিস।
Advertisement
আদালত সূত্রে খবর, ধৃতরা হল সাত্তার শেখ, মহম্মদ আমিরুদ্দিন ওরফে মিঠু, তৈফিক আহমেদ ও ওয়াসিম রাজা। তাদের সবার বাড়ি মাড়গ্রাম থানা এলাকায়। রবিবার রাতে ঝাড়খণ্ড সীমানা লাগোয়া রামপুরহাটের হস্তিকাঁদা জঙ্গল থেকে লাল চন্দনের গাছ কেটে ট্রাক্টরে চাপিয়ে পাচার করা হচ্ছিল। খবর পেয়ে পুলিস অভিযান চালায়। ট্রাক্টরভর্তি সাতটি চন্দন গাছের গুঁড়ি উদ্ধার হয়। একটি বাইক ও চারচাকা গাড়িও বাজেয়াপ্ত হয়। চারজনকে আটক করে। দীর্ঘ জেরার পর সোমবার রাতে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিস। খবর পেয়ে সোমবার সকালে বনদপ্তরের লোকজন খোঁজ চালিয়ে কিছুটা দূরে শালতোরা গ্রামের পুকুরপাড় থেকে আরও ১৬ পিস কাটা চন্দনগাছ উদ্ধার করে। বনদপ্তরের রেঞ্জার সঞ্জীবকুমার সাহা বলেন, ওগুলি মূল্যবান লাল চন্দনের গাছ। প্রচুর টুকরো করে কেটেছে। মাপজোক চলছে। আমাদের তরফেও অভিযোগ জানানো হবে। 
পুলিস ও বনদপ্তর তদন্তে নেমে সেখানকার এক কাঠমিল মালিকের নাম পেয়েছে। যে একসময় পাথর খাদানের শ্রমিক ছিল। মূল্যবান কাঠ পাচার করে এখন ফুলেফেঁপে উঠেছে। এরপর থেকে এলাকার অনেকেই তাকে বাস্তবের ‘পুষ্পা’ বলতে শুরু করেছেন। স্থানীয়রা বলেন, বনকর্মীদের একাংশ চন্দন সহ জঙ্গলের মূল্যবান গাছ কেটে পাচারের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে। পুলিস জানিয়েছে, সমস্ত দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ