Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

রক্ষণাবেক্ষণের অভাব, যাত্রী শেল্টারের উপর সোলার প্যানেলে ধুলোর পুরু স্তর 

রক্ষণাবেক্ষণের অভাব, যাত্রী শেল্টারের উপর সোলার প্যানেলে ধুলোর পুরু স্তর 
  • ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বছর কয়েক আগে বসানো হয়েছিল সোলার প্যানেল। কিন্তু রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে তাতে ধুলো জমছে। গল্ফগ্রিনে ২৩৪ নম্বর বাস স্ট্যান্ডের মাথায় বসানো সোলার প্যানেলটির দশা বেহাল। যদিও কলকাতা পুরসভার আলোক বিভাগের দাবি, সোলার প্যানেলগুলি অকেজো নয়। তবে সাফাই না হওয়ার কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন কম হতে পারে।
Advertisement
গল্ফগ্রিনে উদয়শঙ্কর সরণিতে দূরদর্শন অফিসের সামনে যাত্রী প্রতিক্ষালয়ের উপর রয়েছে সোলার প্যানেল। ৯৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার তপন দাশগুপ্তের দাবি, শহরের বুকে এটিই প্রথম সোলার প্যানেল বসানো বাস স্টপ। সেখান থেকে একটু এগিয়ে ২৩৪ নম্বর বাস স্ট্যান্ড। সেখানেও সুলভ শৌচালয়ের পাশে একটি যাত্রী প্রতীক্ষালয় রয়েছে। তার উপরও রয়েছে চারটি প্রমাণ সাইজের সোলার প্যানেল। কিন্তু তা থেকে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন হয় কি না, বোঝা দায়। যাত্রী শেল্টারের উপর পাতা জমে রয়েছে। রয়েছে প্লাস্টিকের প্যাকেটে মোড়া আবর্জনা। সোলার প্যানেলের উপরও পড়ে রয়েছে পাতা, প্লাস্টিকের প্যাকেট। ধুলো জমে পুরু স্তর পড়ে গিয়েছে। দেখেই বোঝা যায়, লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে সোলার প্যানেল বসানো হলেও তা সঠিকভাবে দেখভাল করার কাজ হয় না। সাফাইও হয় না। শম্ভু হালদার নামে স্থানীয় এক দোকানদার বলেন, উঁচু বলে নোংরা পড়ে। তাই পুরকর্মীরা নিয়মিত সাফ করতে পারেন না। মানুষ প্লাস্টিকে আবর্জনা ভরে রাস্তা দিয়ে যেতে যেতে বাস স্ট্যান্ডের উপর ছুঁড়ে ফেলেন। মই নিয়ে উঠে পরিষ্কার করা যায়। তবে তা করা হয় না। সুন্দর জিনিসটি দেখভালের অভাবে নষ্ট হচ্ছে। সমস্যার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন কাউন্সিলার তপন দাশগুপ্ত। তিনি বিষয়টি দেখে নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। কলকাতা পুরসভার আলোক বিভাগের এক আধিকারিক বলেন, জিনিসগুলি সঠিকভাবে দেখভাল করা হয় না। দূরদর্শনের সামনে বাস স্টপে যে সোলার প্যানেল বসানো হয়েছে, সেগুলি খারাপ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু ২৩৪ নম্বর বাস স্ট্যান্ডের কাছে যাত্রী শেল্টারের মাথায় থাকা প্যানেলগুলি কাজ করছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে। ওখানে গ্রিডের সঙ্গে সংযোগ করা রয়েছে। নিয়মিত সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় বলেই জানি। তবে ধুলোর জন্য হয়তো যে পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন হওয়ার কথা তা কমে গিয়েছে। সেটা দেখে নেওয়া হবে।  নিজস্ব চিত্র
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ