Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ক্যাম্পাস পরিদর্শনে আরকেএস চেয়ারম্যান, ফের দোকান বসতে দেওয়ার আর্জি ব্যবসায়ীদের

যত্রতত্র গজিয়ে ওঠা দোকান বাজার সরিয়ে পরিষ্কার করা হয়েছে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ক্যাম্পাস। হাসপাতাল পরিষ্কার ও জঞ্জালমুক্ত করার কাজ মঙ্গলবার সকালে পরিদর্শন করেন হাসপাতালের রোগীকল্যাণ সমিতির সরকারি প্রতিনিধি শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব।

ক্যাম্পাস পরিদর্শনে আরকেএস চেয়ারম্যান, ফের দোকান বসতে দেওয়ার আর্জি ব্যবসায়ীদের
  • ৯ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: যত্রতত্র গজিয়ে ওঠা দোকান বাজার সরিয়ে পরিষ্কার করা হয়েছে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ক্যাম্পাস। হাসপাতাল পরিষ্কার ও জঞ্জালমুক্ত করার কাজ মঙ্গলবার সকালে পরিদর্শন করেন হাসপাতালের রোগীকল্যাণ সমিতির সরকারি প্রতিনিধি শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব। 

Advertisement

এই অভিযানের প্রথমপর্বে হাসপাতালের ওয়ার্ডের গা ঘেঁষে থাকা দীর্ঘদিনের বাজার সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তারপরেও হাসপাতালের চত্বরে একটি অংশে ঠেলা গাড়িতে নানা ধরনের ফল ও খাবারের দোকান চলছিল। গত এক সপ্তাহ ধরে অভিযানে সেই সব দোকানও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই অভিযানের সুফল হিসেবে হাসপাতালের বিভিন্ন ধরনের সামগ্রী চুরির ঘটনা কমেছে বলে জানান উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপাল ডাঃ সঞ্জয় মল্লিক। 
দোকান সরিয়ে দেওয়ার পর থেকে দোকানিরা ক্যাম্পাসে দোকান করার আবেদন নিয়ে পুলিস, মোডিক্যাল কর্তৃপক্ষ থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরছেন। কিন্তু এক্ষেত্রে পুলিস দোকান বসাতে না দেওয়ার সিদ্ধান্তে অনড়। কেননা রাজ্য সিকিউরিটি অডিট কমিটির চেয়ারম্যান সুরজিৎ কর পুরকায়স্থ ৩ ডিসেম্বর উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনে এসেছিলেন। হাসপাতাল ক্যাম্পাসে এ ধরনের অবৈধ দোকান বাজার দেখে তিনি জানিয়েছিলেন, নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এসব অবৈধ দোকান বাজার ঝুঁকিপূর্ণ। তাই তিনি দোকান, বাজার দ্রুত সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে যান স্থানীয় পুলিস প্রশাসনকে। 
এদিন হাসপাতালকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন  রাখার কাজ খতিয়ে দেখতে এসে মেয়র গৌতম দেব বিভিন্ন ওয়ার্ড ও ক্যাম্পাস ঘুরে দেখেন। সেসময় সরিয়ে দেওয়া দোকানিরা মেয়রের কাছে হাসপাতালের ভিতরে তাঁদের বসতে দেওয়ার আবেদন জানান। 
প্রিন্সিপালের রুমে কলেজ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য ও ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধিরা মেয়রের সঙ্গে পরবর্তীতে আলোচনায় বসেন। বৈঠক সূত্রে জানা গিয়েছে, সেখানে প্রস্তাব এসেছে, কোনও একটি জায়গায় নির্দিষ্ট সংখ্যক স্টল করে দিয়ে সেখানে পর্যায়ক্রমে সপ্তাহে তিনদিন করে তাঁদের বসার সুযোগ দেওয়ার। প্রিন্সিপাল বলেন, প্রাথমিকভাবে যেসব জায়গা এই দোকানিরা বসার জন্য চিহ্নিত করছেন সেগুলি দেওয়া সম্ভব নয়। অনেক আগেই সেসব জায়গায় বিভিন্ন প্রকল্পের প্রস্তাব তৈরি করে অনুমোদনের জন্য স্বাস্থ্যভবনে পাঠানো হয়েছে। নতুন করে সাইক্রিয়াটিক ডিপার্টমেন্ট তৈরির প্রস্তাব রয়েছে। কাজেই হাসপাতালে মধ্যে দোকান বসানোর জন্য জায়গা দেওয়া খুবই কঠিন। মেয়র বলেন, মেডিক্যাল ক্যাম্পাস ঘুরে দেখেছি। ধাপে ধাপে কিছু পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। দোকানিদের সঙ্গে কথা হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ