Bartaman Logo
২০ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

রাজ্যের বরাদ্দ অর্থে নবকলেবরে সাজছে কল্যাণীর গান্ধী মেমোরিয়াল হাসপাতাল

হৃদরোগ চিকিৎসায় রাজ্যে বেশ নামডাক কল্যাণীর গান্ধী মেমোরিয়াল হাসপাতালের। অথচ, নানা কারণে দীর্ঘদিন অবহেলিত ছিল। এবার সার্বিক পরিকাঠামো উন্নয়নে জোর দিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার।বরাদ্দ করা হয়েছে প্রায় ১ কোটি টাকা। ইতিমধ্যেই সংস্কারের কাজও শুরু হয়ে গিয়েছে।

রাজ্যের বরাদ্দ অর্থে নবকলেবরে সাজছে কল্যাণীর গান্ধী মেমোরিয়াল হাসপাতাল
  • ৬ মার্চ, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
দীপন ঘোষাল, কল্যাণী: হৃদরোগ চিকিৎসায় রাজ্যে বেশ নামডাক কল্যাণীর গান্ধী মেমোরিয়াল হাসপাতালের। অথচ, নানা কারণে দীর্ঘদিন অবহেলিত ছিল। এবার সার্বিক পরিকাঠামো উন্নয়নে জোর দিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার।বরাদ্দ করা হয়েছে প্রায় ১ কোটি টাকা। ইতিমধ্যেই সংস্কারের কাজও শুরু হয়ে গিয়েছে। 
Advertisement
শিল্প শহর কল্যাণী ধীরে ধীরে চিকিৎসা-পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের মানচিত্রে পাকা জায়গা করে নিচ্ছে। গান্ধী মেমোরিয়ালের পাশাপাশি রাজ্যের মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল জেএনএম ছিলই। বছর কয়েক হল কেন্দ্রীয় সরকারের এইমস চালু হয়েছে। এছাড়াও শহর কেন্দ্রিক একাধিক বেসরকারি নার্সিংহোম এবং হাসপাতালও গজিয়ে উঠেছে। তবে, রাজ্যের মধ্যে হৃদরোগ চিকিৎসার ক্ষেত্রে আজও সুনান অক্ষুন্ন রেখেছে গান্ধী মেমোরিয়াল। খুব কম খরচে উন্নত পরিষেবা অন্য কোথাও পাওয়া যায় না।  কিন্তু] বছরের পর বছর ধরে হাসপাতাল সংস্কার এবং রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে হাসপাতালটি ইদানীং যেন ভুতুড়ে বাড়ির চেহারা নিচ্ছিল। চারিপাশে আগাছা, ভাঙাচোরা প্রবেশ-প্রস্থানের পথ। উপযুক্ত ওয়েটিং হলের অভাব। জীর্ণদশা হয়েছিল হাসপাতালের ছাদেরও। বর্ষায় জল পড়ত হাসপাতালের ওয়ার্ডে। ফলে, রোগীদের পাশাপাশি কর্মরত চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছিল। সম্প্রতি সেই হাসপাতালকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।  রাজ্য সরকারের কাছে দরবার করে মিলেছে মোটা টাকা। 
হাসপাতাল সূত্রে জানা হিয়েছে, বরাদ্দ অর্থে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে কাজ করা হচ্ছে ছাদের। খরচ ধরা হয়েছে ৫৮ লক্ষ টাকা। শুরু হয়েছে মেরামতের কাজ। আশপাশে আগাছা সরিয়ে বের করে আনা হয়েছে হাসপাতালে প্রবেশ এবং প্রস্থানের মূল রাস্তাটি। খরচ হবে ১২ লক্ষ টাকা। নতুন করে তৈরি হবে রাস্তা। রাতের সাথী প্রকল্পের মাধ্যমে ও মোটা টাকা পেয়েছে গান্ধী মেমোরিয়াল। সেই টাকায় ভাঙাচোরা শৌচাগার গুলি সারানো হচ্ছে। মহিলা চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য তৈরি হচ্ছে রেস্টরুম। পাশাপাশি, অন্যান্য পরিকাঠামোগত উন্নয়নেরও পরিকল্পনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে পরবর্তী ব্যায় বরাদ্দের জন্য অপেক্ষায় রয়েছে কর্তৃপক্ষ। 
হাসপাতালের সুপার আশিস মৈত্র বলেন, একাধিক জায়গায় আমাদের ঘাটতি ছিল। এছাড়া হাসপাতালের অবস্থা অনেকটাই খারাপ হয়ে গিয়েছিল। আমরা রাজ্য সরকারের তরফে বিভিন্ন খাতে টাকা পেয়েছি। সেই টাকা খরচ করে ইতিমধ্যেই কাজ শুরু হয়েছে। আশা করছি, আগামী ছ’মাসের মধ্যেই খোলনলচে বদলে নতুন অবস্থায় আত্মপ্রকাশ করবে গান্ধীমেমোরিয়াল হাসপাতাল। সেই সঙ্গে চিকিৎসা পরিষেবা আরও উন্নত মানের দেওয়ার চেষ্টা 
করছি।  নিজস্ব চিত্র
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ