পাটনা: ধস্তাধস্তি, জলকামান থেকে ধরপাকড়। জেনজি আন্দোলনে গুলি চালানোর প্রতিবাদে আরজেডির মিছিল ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি পাটনায়। আটক করা হয় বিরোধী দলনেতা তেজস্বী যাদব সহ আরজেডির একাধিক নেতাকর্মীকে। পরে অবশ্য তাঁদের ছেড়ে দেয় পুলিশ।
পাটনা: ধস্তাধস্তি, জলকামান থেকে ধরপাকড়। জেনজি আন্দোলনে গুলি চালানোর প্রতিবাদে আরজেডির মিছিল ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি পাটনায়। আটক করা হয় বিরোধী দলনেতা তেজস্বী যাদব সহ আরজেডির একাধিক নেতাকর্মীকে। পরে অবশ্য তাঁদের ছেড়ে দেয় পুলিশ।
‘ককরোচ’দের আন্দোলন চলাকালে বিহারের সিওয়ানে একে ৪৭ থেকে গুলি চালিয়েছিলেন এক পুলিশকর্মী। সেই ঘটনার প্রতিবাদে এদিন রাজভবন অভিযানের ডাক দিয়েছিল আরজেডি। তেজস্বী যাদব ছাড়াও মিসা ভারতী, মনোজ ঝা, অলোক মেহতার মতো আরজেডির একাধিক নেতারা যোগ দিয়েছিলেন এই পদযাত্রায়। পদযাত্রায় প্রতীকী একে৪৭ বন্দুক নিয়েও হাঁটেন এক আরজেডি কর্মী। বিক্ষোভকারীদের আটকাতে জলকামানের ব্যবহার করে পুলিশ।
পুলিশের সঙ্গে আরজেডি কর্মীদের ধস্তাধস্তির মধ্যেই আটক করে একটি বাসে তোলা হয় তেজস্বী যাদবকে। তারপরই ওই বাসের উপরে উঠে পড়েন লালুর দলের নেতা-কর্মীদের একাংশ। তেজস্বী বলেন, ‘যতদিন না ছাত্ররা ন্যায় পাচ্ছে, ততদিন আমরা লড়াই চালিয়ে যাব। আমরা হাজতবাসে ভয় পায়না। আমরা ছাত্রদের ন্যায়ের পক্ষে লড়াই চালিয়ে যাব। বেকারত্ব, প্রশ্নফাঁস ও স্বচ্ছ পরীক্ষার দাবিতে আমাদের লড়াই জারি থাকবে।’
মিসা ভারতী বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টে বিহার সরকার স্বীকার করে নিয়েছে একে৪৭ চালানো হয়েছিল। কে সেই অনুমতি দিয়েছিল? যদি জেলাশাসক অনুমতি দিয়ে থাকেন, তাঁর বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ নিতে হবে। এটা বিহারের ভবিষ্যতের প্রশ্ন।’