Bartaman Logo
১৮ জুলাই, ২০২৬

জ্বালানি সংকটে খরচ বৃদ্ধি শহরে, গ্রামে ফিরছেন পরিযায়ী শ্রমিকরা

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের জেরে দেশজুড়ে তৈরি হয়েছে রান্নার গ্যাসের সংকট। যার গুরুতর প্রভাব পড়েছে শহুরে জীবনে। দিল্লির সরু গলি থেকে শিল্পাঞ্চল—সর্বত্র বদলে দিচ্ছে মানুষের জীবনযাত্রা।

জ্বালানি সংকটে খরচ বৃদ্ধি শহরে, গ্রামে ফিরছেন পরিযায়ী শ্রমিকরা
  • ৪ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের জেরে দেশজুড়ে তৈরি হয়েছে রান্নার গ্যাসের সংকট। যার গুরুতর প্রভাব পড়েছে শহুরে জীবনে। দিল্লির সরু গলি থেকে শিল্পাঞ্চল—সর্বত্র বদলে দিচ্ছে মানুষের জীবনযাত্রা। দিল্লির ক্যাবচালক রাকেশ যাদব জানান, ‘আগে ১০০ টাকার খাবার এখন ১২০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। এভাবে খরচ বাড়তে থাকলে হয়তো গ্রামে ফিরে যেতে হবে।’ 

Advertisement

ডেলিভারি কর্মী গোপাল বলেন, এলপিজি সংকটের কারণে রেস্তরাঁ বন্ধ। দৈনিক আয় ১,৬০০ টাকা থেকে নেমে ৪৫০-৫০০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। তিনি এখন গ্রামের বাড়িতে ফিরে যাচ্ছেন। শুধু শ্রমিকদের মধ্যে নয়, সমস্যায় পড়েছেন ব্যবসায়ীরাও। একটি লজিস্টিক সংস্থার সিইও অজয় রাও বলেন, তাঁদের সংস্থায় ২০ শতাংশ কর্মী কমে গিয়েছে। তাঁদের ধরে রাখতে বোনাস এবং নতুন কর্মী নিয়োগ করতে হচ্ছে। প্রভাব পড়েছে বিভিন্ন শিল্প কারখানার ক্যান্টিনেও। মূলত নিম্ন আয়ের শ্রমিকরা ক্যান্টিনের খাবারের উপর বেশি ভরসা করেন। কিন্তু গ্যাসের সংকটের জেরে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বহু সংস্থার ক্যান্টিন। আবার অনেক শ্রমিক ছোট সিলিন্ডারের উপর ভরসা করে থাকেন। কিন্তু সেখানেও একই চিত্র। একই চিত্র মুম্বইতেও। সেখানেও বহু হোটেল ও রেস্তরাঁ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। খাবারের থালি ১৫০-২০০ টাকা ছাড়িয়েছে। রাস্তার পাশে খাবারের হোটেল চালানো ব্যবসায়ীরা বলেন, প্রায় ২০০ শতাংশ অতিরিক্ত টাকা দিয়ে গ্যাস কিনতে হচ্ছে। সেজন্য খাবারের দাম বাড়াতে হয়েছে। আবার অনেকে ব্যবসা গুটিয়ে গ্রামে ফিরে গিয়েছেন। এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে কোভিড পরবর্তী সময়ের মতো ফের ‘রিভার্স মাইগ্রেশন’ বা গ্রামে ফেরার ঢল নামতে পারে বলে আশঙ্কা বিভিন্ন মহলের। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ