বিশেষ সংবাদদাতা, আগরতলা: স্বনির্ভর গোষ্ঠী থেকে ঋণ নিয়েছিলেন। কিন্তু সংসারের টানাটানির জন্য কিস্তির টাকা দিতে পারছিলেন না। এই ছিল ‘অপরাধ’। তার জন্য মধ্যযুগীয় বর্বরতার শিকার হলেন এক মহিলা। মারধরের পাশাপাশি তাঁর মাথা ন্যাড়া করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল গোষ্ঠীর অন্য সদস্যদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বিজেপি শাসিত রাজ্য ত্রিপুরায়।
Advertisement
জিনিসপত্রের দাম দিন দিন বাড়ছে। অথচ আয় বাড়ছে না। সংসার চালাতে গিয়ে নাস্তানাবুদ হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। অনেকে ঋণ নিয়েও কিস্তির টাকা ঠিকমতো মিটিয়ে দিতে পারছেন না। এর আগে একাধিক রিপোর্টে সামনে এসেছে ভারতীয় অর্থনীতির সেই অন্ধকার দিক। কিন্তু বিজেপি শাসিত ত্রিপুরার ঘটনা হার মানাবে মধ্যযুগীয় বর্বরতাকে। জানা গিয়েছে, স্বনির্ভর গোষ্ঠি থেকে কিছু টাকা ঋণ নিয়েছিলেন সিপাহিজলা জেলার বিশালগড় থানার অন্তর্গত লালসিংমুড়া মণিপুরী পাড়ার এক মহিলা। কিন্তু ঋণের কিস্তির টাকা না দিতে পারছিলেন না। গত বৃহস্পতিবার ওই মহিলার বাড়িতে চড়াও হন গ্রামের স্বনির্ভর গোষ্ঠীর অন্য মহিলারা। সামান্য কথাকাটাকাটির পরে মারধর করে ওই মহিলার মাথা ন্যাড়া করে দেওয়া হয়েছে।
আক্রান্ত মহিলার অভিযোগ, তাঁর চিৎকার শুনেও কেউ এগিয়ে আসেননি। বরং সবাই দূর থেকে তা উপভোগ করছিলেন। আবার কেউ কেউ মোবাইল ক্যামেরায় এই ঘটনাটি বন্দী করতে উৎসাহী ছিলেন। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিশালগড় মহিলা থানার ওসি শিউলি দাস স্বয়ং বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে আসেন। আক্রান্ত মহিলাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান তিনি। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। অভিযুক্তদের খোঁজ চলছে।
আক্রান্ত মহিলার অভিযোগ, তাঁর চিৎকার শুনেও কেউ এগিয়ে আসেননি। বরং সবাই দূর থেকে তা উপভোগ করছিলেন। আবার কেউ কেউ মোবাইল ক্যামেরায় এই ঘটনাটি বন্দী করতে উৎসাহী ছিলেন। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিশালগড় মহিলা থানার ওসি শিউলি দাস স্বয়ং বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে আসেন। আক্রান্ত মহিলাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান তিনি। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। অভিযুক্তদের খোঁজ চলছে।



