মেলবোর্ন: পাঁচ ইনিংসে মাত্র ৩১ রান। গড় ৬.২। ব্যাট হাতে চরম ব্যর্থ। প্রকট নেতৃত্বের দুর্বলতাও। স্বভাবতই বক্সিং ডে টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে প্রবল চাপে ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা। কার্যত দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে হিটম্যানের। মানসিকভাবেও বিধ্বস্ত। তবে কোনও অজুহাত খাড়া করতে রাজি নন তিনি। বলছেন, ‘যা কিছু করতে চাইছি, সবই বিফলে যাচ্ছে। জানি, কোথায় দাঁড়িয়ে আছি। অতীত আঁকড়ে থাকতে চাই না । খুবই হতাশ লাগছে।’
Advertisement
আসলে দেওয়াল লিখন পড়তে পারছেন রোহিত। ২০২৩ সালের নভেম্বরে তাঁর নেতৃত্বে ভারত টি-২০ বিশ্বকাপ জিতেছিল। বীরের মর্যাদা পেয়েছিলেন অধিনায়ক। কিন্তু বছর ঘুরতে না ঘুরতেই ভরসার সলিল সমাধি। উত্তাপ টের পাচ্ছেন হিটম্যান স্বয়ং। চাপের মুখে কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য তিনি যে প্রস্তুত, সেটা ম্যাচ শেষেই ইঙ্গিত দিয়েছেন। রোহিতের কথায়, ‘এখনও সিরিজের একটা ম্যাচ বাকি। আমাদের লক্ষ্য, সিডনিতে জিতে সিরিজ ২-২ করা।’ তবে পঞ্চম টেস্টে প্রথম একাদশে যে বেশকিছু পরিবর্তন দেখা যাবে, সেই বার্তা মিলেছে রোহিতের কথায়, ‘দল নিয়ে ভাবার সময় এসেছে। ব্যক্তিগত পাফরম্যান্সেরও মূল্যায়ন প্রয়োজন। দেখা যাক কী হয়। এই ধাক্কা কাটিয়ে কীভাবে ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব, তা নিয়ে ভাবনাচিন্তার প্রয়োজন।’
অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে চতুর্থ টেস্টে টিম ইন্ডিয়ার নির্লজ্জ আত্মসমর্পণের পিছনে দুই মহাতারকাকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করাচ্ছেন সমর্থকরা। অনেকে বলছেন, ‘রোহিতের চেয়ে বুমরাহ অনেক ভালো অধিনায়ক। সিডনিতে ফের বুমবুমকে নেতৃত্বের সুযোগ দেওয়া হোক।’ আসলে সিরিজের প্রথম ম্যাচে রোহিতের অনুপস্থিতিতে বুমরাহ অধিনায়কত্ব করেছিলেন। ২৯৫ রানে জিতে সফর শুরু করেছিল টিম ইন্ডিয়া। তারপর রোহিতের দলে যোগদান এবং ভারতের অন্তর্জলি যাত্রা। শুধু সমর্থকরা নন, বোর্ডের অন্দরেও টেস্ট দলের আমূল পরিবর্তনের দাবি উঠতে শুরু করেছে। চলতি অস্ট্রেলিয়া সফরে ভারতের প্রাপ্তি বলতে বুমরাহর দুর্দান্ত বোলিং। চ্যার ম্যাচে তাঁর শিকারসংখ্যা ৩০। যশস্বীর আক্রমণাত্মক ব্যাটিং এবং নীতীশ রেড্ডির উত্থানও নজর কেড়েছে। বাকিদের যেন এক খুরে মাথা কামানো। বিশেষ করে ঋষভ পন্থের মতো তারকার দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যাটিং নিয়ে ক্ষোভ সর্বত্র। মেলবোর্ন টেস্টে প্রথম ইনিংসে ল্যাপ শট মারতে গিয়ে আউট হয়েছিলেন। দ্বিতীয় ইনিংসেও চাপের মুখে ঝুঁকি নিয়ে স্লগ শটে আউট হয়ে দলকে বিপদে ফেলেন উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। এই প্রসঙ্গে রোহিত বলেন, ‘আমরা এখনও এই বিষয়ে কোনও আলোচনা করিনি। তবে ঋষভকে বুঝতে হবে, কখন কীরকম শট খেলা উচিত।’ আসলে ক্যাপ্টেন নিজেই চূড়ান্ত ব্যর্থ। তাই অন্যের সমালোচনা করা যে তাঁর মানায় না, সেটা তিনি ভালোই জানেন। তাই দলের অন্য সদস্যদের ভুলত্রুটি নিয়ে ধেয়ে আসা প্রশ্নও স্রেফ ‘ডাক’ করে গেলেন রোহিত।
অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে চতুর্থ টেস্টে টিম ইন্ডিয়ার নির্লজ্জ আত্মসমর্পণের পিছনে দুই মহাতারকাকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করাচ্ছেন সমর্থকরা। অনেকে বলছেন, ‘রোহিতের চেয়ে বুমরাহ অনেক ভালো অধিনায়ক। সিডনিতে ফের বুমবুমকে নেতৃত্বের সুযোগ দেওয়া হোক।’ আসলে সিরিজের প্রথম ম্যাচে রোহিতের অনুপস্থিতিতে বুমরাহ অধিনায়কত্ব করেছিলেন। ২৯৫ রানে জিতে সফর শুরু করেছিল টিম ইন্ডিয়া। তারপর রোহিতের দলে যোগদান এবং ভারতের অন্তর্জলি যাত্রা। শুধু সমর্থকরা নন, বোর্ডের অন্দরেও টেস্ট দলের আমূল পরিবর্তনের দাবি উঠতে শুরু করেছে। চলতি অস্ট্রেলিয়া সফরে ভারতের প্রাপ্তি বলতে বুমরাহর দুর্দান্ত বোলিং। চ্যার ম্যাচে তাঁর শিকারসংখ্যা ৩০। যশস্বীর আক্রমণাত্মক ব্যাটিং এবং নীতীশ রেড্ডির উত্থানও নজর কেড়েছে। বাকিদের যেন এক খুরে মাথা কামানো। বিশেষ করে ঋষভ পন্থের মতো তারকার দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যাটিং নিয়ে ক্ষোভ সর্বত্র। মেলবোর্ন টেস্টে প্রথম ইনিংসে ল্যাপ শট মারতে গিয়ে আউট হয়েছিলেন। দ্বিতীয় ইনিংসেও চাপের মুখে ঝুঁকি নিয়ে স্লগ শটে আউট হয়ে দলকে বিপদে ফেলেন উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। এই প্রসঙ্গে রোহিত বলেন, ‘আমরা এখনও এই বিষয়ে কোনও আলোচনা করিনি। তবে ঋষভকে বুঝতে হবে, কখন কীরকম শট খেলা উচিত।’ আসলে ক্যাপ্টেন নিজেই চূড়ান্ত ব্যর্থ। তাই অন্যের সমালোচনা করা যে তাঁর মানায় না, সেটা তিনি ভালোই জানেন। তাই দলের অন্য সদস্যদের ভুলত্রুটি নিয়ে ধেয়ে আসা প্রশ্নও স্রেফ ‘ডাক’ করে গেলেন রোহিত।



