সিডনি: ২৭ বছর পর শ্রীলঙ্কায় ওডিআই সিরিজে পরাজয়। ১২ বছর পর ঘরের মাঠে টেস্ট সিরিজে হার, প্রতিপক্ষ ছিল নিউজিল্যান্ড। এবার ১০ বছর পর বর্ডার-গাভাসকর ট্রফি হাতছাড়া। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ১-৩ ব্যবধানে টেস্ট সিরিজে পর্যুদস্ত হওয়ার যন্ত্রণা। দায়িত্ব নেওয়ার পর গৌতম গম্ভীরের কোচিংয়ে হেরেই চলেছে ভারত। এই সময়কালে দশটা টেস্টের মধ্যে ৬টিতেই পরাজিত টিম ইন্ডিয়া। রাহুল দ্রাবিড়ের উত্তরসূরির আমলে নিত্যনতুন লজ্জার সাগরে ডুবছে দল। এই পরিস্থিতিতে কোচ গম্ভীরের ভবিষ্যৎ নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। তবুও শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করার সাফাই গাইছেন তিনি। প্রাক্তন সাংসদ হিসেবে গালভরা বক্তব্য রাখার অভ্যাস ভালোই রয়েছে তাঁর। তাই এমন বিপর্যয়ের পরও উদাসীন গম্ভীর।
Advertisement
পাশাপাশি, রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলির জঘন্য পারফরম্যান্স নিয়েও চলছে তুমুল চর্চা। পাঁচ ইনিংসে মাত্র ৩১ রান করেছেন হিটম্যান। আর ভিকে’র ব্যাটে ৯ ইনিংসে এসেছে ১৯০। বারবার অফস্টাম্পের বাইরে অজিদের পাতা ফাঁদে পা দিয়ে আউট হয়েছেন তিনি। জুনে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের পরের টেস্টে কি খেলবেন এই দুই মহারথী? গম্ভীর অবশ্য ধোঁয়াশাই রেখেছেন, ‘পাঁচ মাস পর কী হবে তা নিয়ে কথা বলার সময় এটা নয়। খেলাধূলায় সবকিছুই বদলাতে থাকে। তবে ভারতীয় ক্রিকেটের স্বার্থই সবার আগে। সেটা মাথায় রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আমি অবশ্য কোনও ক্রিকেটারের ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলতে পারি না। সেটা ওরাই ঠিক করবে। তবে এটা বলতে পারি যে, ওদের মধ্যে এখনও যথেষ্ট সাফল্যের খিদে রয়েছে। ক্রিকেটের প্রতি প্যাশনও কমেনি। ওরা মানসিকভাবে শক্তিশালী। ভারতীয় ক্রিকেটের জন্য কোনটা সেরা তা বিচার করে ওরা নিশ্চয় সিদ্ধান্ত নেবে। আর লাল বলের ক্রিকেটের প্রতি দায়বদ্ধতা থাকলে সবারই ঘরোয়া ক্রিকেট খেলা উচিত।’ এই কড়া বার্তার পর ২৩ জানুয়ারি রনজির ম্যাচে বিরাট, রোহিতরা খেলেন কিনা সেটাই দেখার।



