কটক: নিছক ছক্কা নয়! স্রেফ বর্ণময় কেরিয়ারের ৩২তম ওডিআই সেঞ্চুরিও নয়। ক্রিজ ছেড়ে দু’পা বেরিয়ে আদিল রশিদকে গ্যালারিতে পাঠানোর মুহূর্তটা হয়ে উঠল প্রতীকী। হয়ে উঠল যাবতীয় সমালোচনা আর অবসর নিয়ে জল্পনায় রোহিত শর্মার জবাব। আগ্রাসী শতরানে ভারত অধিনায়ক সমস্ত প্রশ্নচিহ্ন আর সংশয়কেই আছড়ে ফেললেন বঙ্গোপসাগরে। ৯০ বলে এই ১১৯ রানের ইনিংস লিখল চার উইকেটে জয়ের চিত্রনাট্য। সেটাও ৩০৫ রান তাড়া করে ৩৩ বল বাকি থাকতে। একইসঙ্গে তিন ম্যাচের ওডিআই সিরিজও ২-০ এগিয়ে পকেটে পুরল ভারত।
Advertisement
এদিনের বরাবাটি স্টেডিয়াম সাক্ষী থাকল রোহিত-রাজের। পঞ্চাশ এসেছিল ৩০ বলে। শুভমান গিল (৬০) ও বিরাট কোহলি (৫) পরপর ফেরায় অবশ্য হাফ-সেঞ্চুরির পর একটু মন্থর হয়ে পড়েন হিটম্যান। একশোর মাইলস্টোনে পৌঁছতে তাই লাগে আরও ৪৬ বল। আর সেখানেই এই ইনিংসের বিশেষত্ব। একবগ্গা ব্যাট ঘুরিয়ে দ্রুত আউট হওয়ার ঝুঁকি তিনি নেননি। বরং দায়িত্ব নিয়ে দলকে টেনেছেন। আলোর অভাবে খেলা দীর্ঘক্ষণ বন্ধ থাকা সত্ত্বেও ফোকাস হারাননি। এমনকী, কেরিয়ারের দ্বিতীয় দ্রুততম ওডিআই সেঞ্চুরির (৭৬ বলে) পরও দেখাননি আবেগ। এই ঘরানায় আগের শতরান এসেছিল বছর দুয়েক আগে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে। ৬৩ বলে সেই শতরানই তাঁর দ্রুততম। তিন অঙ্কের রানে পৌঁছনোর পর রোহিতের ব্যাটে ফের শুরু ধুমধাড়াক্কা। ১৩২.২২ স্ট্রাইকরেটে হিটম্যানের এদিনের ইনিংস সাজানো এক ডজন চার ও সাতটি ছক্কায়। ৩৭ বছর বয়সি আরও একবার বোঝালেন, চ্যাম্পিয়নদের চিমটি না কাটাই বুদ্ধিমানের কাজ!
ইংল্যান্ড অবশ্য টস জিতে ব্যাট করতে নেমে যেভাবে খেলছিল তাতে মনেই হয়নি এমন সহজ জয় অপেক্ষায় রয়েছে ভারতের। বেন ডাকেটের (৬৫) ঝোড়ো ইনিংস সাড়ে তিনশো তোলার ইঙ্গিত দিচ্ছিল। ভারতীয় ফিল্ডিংও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল। ফিল সল্টের (২৬) সহজ ক্যাচ ফেলে দেন অক্ষর প্যাটেল। জো রুটও (৬৯) ছিলেন ছন্দে। কিন্তু রবীন্দ্র জাদেজা আরও একবার তাঁকে ফেরাতেই দিশাহারা ইংল্যান্ড। ভারতের সফলতম বোলার জাড্ডুই। বাঁ-হাতি স্পিনার মাত্র ৩৫ রানে নিলেন তিন উইকেট। ওডিআই অভিষেকে বরুণ চক্রবর্তী পেলেন এক উইকেট। তবে মহম্মদ সামি (১-৬৬), হর্ষিত রানা (১-৬২) ও হার্দিক পান্ডিয়া (১-৫৩)— তিন ভারতীয় পেসারই প্রচুর রান দিলেন। যশপ্রীত বুমরাহ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলতে না পারলে কিন্তু পেস বিভাগ নিয়ে দুশ্চিন্তা থাকবেই। বিশেষ করে সামিকে সেরা ছন্দে দেখাচ্ছে না। পুরো কোটার ওভারও তো করানো হচ্ছে না তাঁকে।
ভারতের রান তাড়ার শুরুটাই হয়েছিল সুনামির গতিতে। গিলের সঙ্গে রোহিতের ওপেনিংয়ে ওঠে ১৩৬। টানা হাফ-সেঞ্চুরি করেন শুভমান। তবে রান পাননি কোহলি। এই নিয়ে দশবার ওডিআই ক্রিকেটে রশিদের শিকার হলেন তিনি। চারে নামা শ্রেয়স আয়ার (৪৪) অবশ্য নিজের প্রয়োজনীয়তা মেলে ধরলেন দারুণভাবে। ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউটের কারণে অবশ্য পরপর হাফ-সেঞ্চুরি হারাতে হল। পাঁচে অক্ষরও (অপরাজিত ৪১) নিজের ভূমিকায় যথাযথ। তবে লোকেশ রাহুল (১০) ও হার্দিক পান্ডিয়া (১০) অহেতুক উইকেট ছুড়ে দিলেন। ভাগ্যিস, রোহিতের বিধ্বংসী ইনিংস আগেই জয়ের কক্ষপথে পৌঁছে দিয়েছিল!
সংক্ষিপ্ত স্কোর: ইংল্যান্ড ৩০৪ (রুট ৬৯), ভারত ৩০৮-৬ (রোহিত ১১৯)। ভারত ৪ উইকেটে জয়ী, তিন ম্যাচের সিরিজে টিম ইন্ডিয়া ২-০ এগিয়ে, ম্যাচের সেরা রোহিত।
ইংল্যান্ড অবশ্য টস জিতে ব্যাট করতে নেমে যেভাবে খেলছিল তাতে মনেই হয়নি এমন সহজ জয় অপেক্ষায় রয়েছে ভারতের। বেন ডাকেটের (৬৫) ঝোড়ো ইনিংস সাড়ে তিনশো তোলার ইঙ্গিত দিচ্ছিল। ভারতীয় ফিল্ডিংও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল। ফিল সল্টের (২৬) সহজ ক্যাচ ফেলে দেন অক্ষর প্যাটেল। জো রুটও (৬৯) ছিলেন ছন্দে। কিন্তু রবীন্দ্র জাদেজা আরও একবার তাঁকে ফেরাতেই দিশাহারা ইংল্যান্ড। ভারতের সফলতম বোলার জাড্ডুই। বাঁ-হাতি স্পিনার মাত্র ৩৫ রানে নিলেন তিন উইকেট। ওডিআই অভিষেকে বরুণ চক্রবর্তী পেলেন এক উইকেট। তবে মহম্মদ সামি (১-৬৬), হর্ষিত রানা (১-৬২) ও হার্দিক পান্ডিয়া (১-৫৩)— তিন ভারতীয় পেসারই প্রচুর রান দিলেন। যশপ্রীত বুমরাহ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলতে না পারলে কিন্তু পেস বিভাগ নিয়ে দুশ্চিন্তা থাকবেই। বিশেষ করে সামিকে সেরা ছন্দে দেখাচ্ছে না। পুরো কোটার ওভারও তো করানো হচ্ছে না তাঁকে।
ভারতের রান তাড়ার শুরুটাই হয়েছিল সুনামির গতিতে। গিলের সঙ্গে রোহিতের ওপেনিংয়ে ওঠে ১৩৬। টানা হাফ-সেঞ্চুরি করেন শুভমান। তবে রান পাননি কোহলি। এই নিয়ে দশবার ওডিআই ক্রিকেটে রশিদের শিকার হলেন তিনি। চারে নামা শ্রেয়স আয়ার (৪৪) অবশ্য নিজের প্রয়োজনীয়তা মেলে ধরলেন দারুণভাবে। ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউটের কারণে অবশ্য পরপর হাফ-সেঞ্চুরি হারাতে হল। পাঁচে অক্ষরও (অপরাজিত ৪১) নিজের ভূমিকায় যথাযথ। তবে লোকেশ রাহুল (১০) ও হার্দিক পান্ডিয়া (১০) অহেতুক উইকেট ছুড়ে দিলেন। ভাগ্যিস, রোহিতের বিধ্বংসী ইনিংস আগেই জয়ের কক্ষপথে পৌঁছে দিয়েছিল!
সংক্ষিপ্ত স্কোর: ইংল্যান্ড ৩০৪ (রুট ৬৯), ভারত ৩০৮-৬ (রোহিত ১১৯)। ভারত ৪ উইকেটে জয়ী, তিন ম্যাচের সিরিজে টিম ইন্ডিয়া ২-০ এগিয়ে, ম্যাচের সেরা রোহিত।



