সংবাদদাতা, রায়গঞ্জ: রায়গঞ্জ শহরে বাড়ছে ফুল বিক্রির চাহিদা। শহরের মোহনবাটি বাজার এলাকায় রাস্তার ধার দিয়ে একের পর এক বসছে ফুলের দোকান। বিশেষ করে গাঁদা ফুলের দোকান যেমন বেড়েছে তেমনি চাষও ব্যাপক হারে বেড়েছে রায়গঞ্জ ও কালিয়াগঞ্জ ব্লকে। ফুল ব্যবসায়ীদের ব্যবসা লাভজনক করতে ফুল মার্কেটের দাবিও করা হচ্ছে ব্যবসায়ী সংগঠনের তরফে।
Advertisement
ফুল চাষিরা জানান, একসময় খাদ্যশস্য কিংবা সব্জি চাষই ছিল তাঁদের প্রধান জীবিকা। কিন্তু এখন অনেকে ফুল চাষে ঝুঁকছেন। অন্যান্য চাষের চেয়ে ফুল চাষে ক্ষতির সম্ভবনা কম। একটু দেখাশোনা ও যত্ন করলেই ফুলে ভরে ওঠে বাগান। লাভের আশায় এখন বিঘা বিঘা জমিতে গাঁদা ফুলের চাষ হচ্ছে। রায়গঞ্জ ও কালিয়াগঞ্জ ব্লকের পারধা, ঋষিপুর, কুমারডাঙি, মনোহরপুর, রাঁধুনিপাড়া, পোয়ালতোর, রুইমারী, ধর্মডাঙি ও সাহেবঘাটা এলাকায় ফুল চাষ হচ্ছে। অনেক কৃষক জমি লিজ নিয়েও গাঁদা ফুল চাষ করছেন।
রাজচন্দ্র সরকার নামে এক ফুল চাষি জানান, একমাত্র প্রবল বৃষ্টিতে গাছ ডুবে গেলেই সমস্যা তৈরি হয়। তাই উঁচু জায়গায় এই ফুল চাষের জন্য মনোরম। ফুল ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হয়। বিয়ের মরশুমে ফুলের চাহিদা আরও বেশি। কলকাতা, শিলিগুড়ি, মালদহ এমনকী বিহারেও যায় এই গাঁদা ফুল।
রায়গঞ্জ মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অতনু বন্ধু লাহিড়ী বলেন, এর আগেও ফুল মার্কেট তৈরি নিয়ে আমরা বৈঠক করেছি। ফুল ব্যবসায়ীরা যেভাবে ফুটপাতে বসে ফুল বিক্রি করে তাতে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। গাঁদা ফুলের বিক্রি বেড়েছে। প্রশাসনের কাছে ফের ফুল মার্কেটের জন্য আবেদন রাখব।
এবিষয়ে রায়গঞ্জের মহকুমা শাসক কিংশুক মাইতি বলেন, রায়গঞ্জে ফুল বিক্রি দিনের পর দিন বেড়েছে। জায়গা রয়েছে কি না, বিষয়টি পুরসভা দেখবে। মার্কেট তৈরির জন্য বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। নিজস্ব চিত্র
রাজচন্দ্র সরকার নামে এক ফুল চাষি জানান, একমাত্র প্রবল বৃষ্টিতে গাছ ডুবে গেলেই সমস্যা তৈরি হয়। তাই উঁচু জায়গায় এই ফুল চাষের জন্য মনোরম। ফুল ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হয়। বিয়ের মরশুমে ফুলের চাহিদা আরও বেশি। কলকাতা, শিলিগুড়ি, মালদহ এমনকী বিহারেও যায় এই গাঁদা ফুল।
রায়গঞ্জ মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অতনু বন্ধু লাহিড়ী বলেন, এর আগেও ফুল মার্কেট তৈরি নিয়ে আমরা বৈঠক করেছি। ফুল ব্যবসায়ীরা যেভাবে ফুটপাতে বসে ফুল বিক্রি করে তাতে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। গাঁদা ফুলের বিক্রি বেড়েছে। প্রশাসনের কাছে ফের ফুল মার্কেটের জন্য আবেদন রাখব।
এবিষয়ে রায়গঞ্জের মহকুমা শাসক কিংশুক মাইতি বলেন, রায়গঞ্জে ফুল বিক্রি দিনের পর দিন বেড়েছে। জায়গা রয়েছে কি না, বিষয়টি পুরসভা দেখবে। মার্কেট তৈরির জন্য বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। নিজস্ব চিত্র



