Bartaman Logo
২৩ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ভরতপুরে রথের দিন সঙ দেখতে মুখিয়ে থাকেন বাসিন্দারা

ভরতপুরে উল্টো রথের দিনে রথের সঙ দেখার জন্য মুখিয়ে থাকেন বাসিন্দারা। ৪৫ বছর ধরে চলছে এই ঐতিহ্য। বিস্তারিত পড়ুন।

ভরতপুরে রথের দিন সঙ দেখতে মুখিয়ে থাকেন বাসিন্দারা
  • ২৩ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কান্দি: রথের সঙ উল্টোরথের দিনে উল্টো পথ দিয়ে গ্রাম পরিক্রমা করে ঠিকই। তবে এর সঙ্গে সোজা রথের বিপরীত কাহিনীও তুলে ধরা হয় এদিন। কান্দি মহকুমার অন্য কোথাও এটা দেখা না গেলেও ভরতপুর গ্রামের রথের সঙ এ এটাই ব্যতিক্রম। উল্টোরথের এই সঙ দেখার জন্য মুখিয়ে থাকেন বাসিন্দারাও।

Advertisement

বাসিন্দারা জানিয়েছেন, বহুবছর ধরে গ্রামে রথের সঙ প্রচলিত। সাধারণত দুই থেকে সাতজন পর্যন্ত এক একটি দলে শিল্পীরা থাকেন। খুবই সাধারণ পোষাকে অভিনয় করেন শিল্পীরা। প্রধানত বাসিন্দাদের আনন্দ দেওয়ার উদ্দেশ্যেই রথের সঙ এর আয়োজন করা হয়। খুব সাধারণ ঘটনা নিয়ে ‘মেঠো’ হাস্যকৌতুকের কাহিনী তুলে ধরে গ্রাম পরিক্রমা করেন দলের শিল্পীরা। বদলে বাসিন্দারাও তাঁদের বকশিস দিয়ে খুশি করেন।
শিল্পীরা জানান, কারো বউ ছেড়ে পালিয়েছে। কারো সন্তান বাবা ও মাকে ছেড়ে চলে গিয়েছে। কখনও পুলিশ চোরকে তাড়া করছে। কেউ আবার স্ত্রী ঘরে থাকতেও দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। এসবই রথের সঙ এর কাহিনী হয়ে থাকে। তবে এটা যদি সোজা রথের কাহিনী হয়ে থাকে। তবে উল্টোরথের এর ঠিক বিপরীত হয়ে থাকে।
উল্টোরথের সঙ এ স্বামী বউ ছেড়ে পালাবে। বাবা ও মা সন্তানকে ছেড়ে চলে যাবে। চোর পুলিশকে তাড়া করবে। আবার স্ত্রী স্বামীকে ঘরে রেখে আরোওএকটি বিয়ে করবে এসব কাহিনী তুলে ধরা হয়।
গ্রামের বাগদিপাড়ার ভোগনা মাঝি বলেন, প্রায় ৪৫বছর ধরে রথের সঙ করে আসছি। অন্য কোথাও এসব না হলেও প্রথম থেকেই গ্রামে এটাই হয়। রথের সঙ-এ এখানকার এটাই নিয়ম। মানুষও এটাকে খুব পছন্দ করেন। অপর শিল্পী হারু দাস বলেন, এটা না হলে সোজা আর উল্টোরথের মধ্যে কোনো পার্থক্য থাকে না। যে কারণে এমনটা করা হয়ে থাকে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ