নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: রাজ্যে পালাবদলের পর থেকে আর অফিসে পা রাখছেন না চেয়ারম্যান। নতুন কাউকে দায়িত্বও দেওয়া হয়নি। যিনি ছিলেন মেম্বার সেক্রেটারি, অবসর নিয়েছেন তিনিও। তারপর পোস্টিং পাননি কেউ। এতকাল স্থায়ীভাবে নিয়োগ করা হলেও বিধাননগরের প্রশাসককে অতিরিক্ত সিইও’র দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সবমিলিয়ে নিউটাউন-কলকাতা ডেভেলপমেন্ট অথরিটির (এনকেডিএ) অফিস নিয়ে হতাশ শহরের আবাসিকরা। কারণ প্রতিদিনের নাগরিক পরিষেবা থেকে এলাকার উন্নয়ন, ইত্যাদি কাজের দায়িত্বে আছে এনকেডিএ। সে সংস্থার এমন ‘নিধিরাম সর্দার’ দশা সমস্যায় তৈরি করছে। দ্রুত সমাধানের দাবি তুলেছেন স্মার্ট সিটির আবাসিকরা। এনকেডিএ’র দীর্ঘদিন চেয়ারম্যান ছিলেন দেবাশিস সেন। তাঁকে সরিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রধান উপদেষ্টা আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। পরে তাঁকেও সরানো হয়। এরপর ঘরওয়াপসি শোভন চট্টোপাধ্যায়কে দায়িত্ব দেওয়া হয়। কাগজে কলমে শোভনবাবু এখনও এনকেডিএ’র চেয়ারম্যান। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূল কংগ্রেসের সরকারের পতন হতেই শোভনবাবু আর অফিসে আসেন না। বিজেপি সরকারও নতুন করে কাউকে চেয়ারম্যান পদে বসায়নি। অথচ ওই গুরুত্বপূর্ণ পদটি ‘ফ্রিজ’ হয়ে রয়েছে। কেউ কোনো প্রয়োজনে এসে কারও সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পাচ্ছেন না। এনকেডিএ’র প্রাক্তন সিইও প্রশান্ত গড়াইকে মেম্বার সেক্রেটারি করা হয়েছিল। তিনি অবসর নিয়েছেন ৩০ মে। মেম্বার সেক্রেটারির মতো গুরুত্বপূর্ণ পদেও কাউকে নিয়োগ করা হয়নি ২ জুলাই পর্যন্ত। দিনকয়েক আগে বিধাননগর পুরসভার প্রশাসক রবি আগরওয়ালকে এনকেডিএ’র সিইও পদে অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে



