নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বইপাগল হিসেবে আমরা চারপাশে অনেক মানুষকে চিনি। তাই বলে পুঁথিপাগল! পরিচিতরা বলেন, পীযূষকান্তির এ পাগলামি রোদ্দুরের মতো উজ্জ্বল।
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বইপাগল হিসেবে আমরা চারপাশে অনেক মানুষকে চিনি। তাই বলে পুঁথিপাগল! পরিচিতরা বলেন, পীযূষকান্তির এ পাগলামি রোদ্দুরের মতো উজ্জ্বল।
প্রাচীন পুঁথি নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে সম্পূর্ণ মজে যাওয়ার উজ্জ্বল উদাহরণ হতে পারেন বেলঘরিয়ার পীযূষকান্তি দুয়া। শনিবার তাঁর নিজের বধূবরণ অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে আমন্ত্রিত অতিথিদের প্রাচীন একটি পুঁথির রেপ্লিকা উপহার দিয়ে আবারও প্রমাণ করলেন, তিনি পুঁথির প্রেমেই পাগল। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তুলনামূলক ভারতীয় ভাষা ও সাহিত্যে এম এ এবং রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সংস্কৃতে এম এ করার সময় থেকেই পাণ্ডুলিপির প্রতি টান পীযূষবাবুর। এরপর ভক্তিবেদান্ত রিসার্চ সেন্টারে গবেষক হিসেবে যোগ দেওয়ার পর প্রাচীন পাণ্ডুলিপির উপর আকর্ষণ আরও বাড়ে। স্ত্রী তুলিকা পেশায় সরকারি হাসপাতালের নার্স। এখন পীযূষের এই আকর্ষণ তাঁর মধ্যেও সঞ্চারিত। নবদম্পতির দাবি, ‘প্রাচীন জ্ঞানচর্চার ধারা অক্ষুণ্ণ রাখতে পুঁথিগুলি ডিজিটাইজ করার প্রয়োজন। এ বিষয়ে সাধারণের মধ্যে সচেতনতা প্রসারেই এই ভাবনা মাথায় এসেছিল তাঁদের। -নিজস্ব চিত্র