নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: সল্টলেকের রাস্তার কঙ্কালসার দশা বহুদিন ধরে। রাজ্যে পালাবদলের পর এখানকার নাগরিকরা প্রশ্ন তুলেছিলেন, ‘রাস্তার হাল কবে ফিরবে?’ জিতে আসার পর বিধাননগরের বিধায়ক এবং রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ শারদ্বত মুখোপাধ্যায় রাস্তা সংস্কারে উদ্যোগ নিয়েছিলেন। অবশেষে শহরের হাল ফিরতে চলেছে। সল্টলেকের একাধিক ব্লকে শুরু হয়েছে রাস্তা মেরামতের কাজ। বুলডোজার দিয়ে পিচ তোলা হচ্ছে। তারপর নতুন করে দেওয়া হচ্ছে পিচ। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, রাস্তার হাল খুবই খারাপ। বর্ষার আগে সংস্কার না হলে চলাচল মুশকিল হয়ে যাবে। তাই বর্ষার আগেই কাজ শুরু হল। দ্রুত কাজ চলছে।
সল্টলেকের ব্লকের ভিতরের রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে বেহাল। জোড়াতাপ্পি দিয়ে কোনোরকমে কাজ চলছিল বলে অভিযোগ। ১৮ মে সল্টলেকে পুরভবনে মেয়র, কাউন্সিলার এবং আধিকারিকদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বিধাননগর এবং রাজারহাট-নিউটাউনের বিধায়ক ডাঃ শারদ্বত মুখোপাধ্যায় এবং পীযূষ কানোরিয়া। বর্ষার আগেই সল্টলেক সহ গোটা বিধাননগরের বেহাল রাস্তা দ্রুত সংস্কারের দাবি তুলেছিলেন দুই বিধায়ক। শারদ্বতবাবু ১ জুন মন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন। তারপর ২ জুন পুর কমিশনারের সঙ্গে রাস্তা মেরামত নিয়ে বৈঠকে বসেন।
প্রসঙ্গত এরপর বিধাননগরের মেয়র পদত্যাগ করেন। তারপর পুরসভার কমিশনার বসেন প্রশাসক পদে। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, সেই সময় বিধায়ক রাস্তার রিপোর্ট হাতে নিয়েছিলেন। কোন রাস্তা বেশি খারাপ, কোন রাস্তা কম খারাপ, তার সমীক্ষা হয়। এর মধ্যে কোন রাস্তাগুলি অবিলম্বে মেরামত করতে হবে, কোনগুলি একটু দেরি হলেও চলবে, সেসব তথ্য সংগ্রহ করে পুরসভা। তারপর মেরামতের কাজ শুরু হয়। এফ ই ব্লকের সামনে রাস্তায় নতুন করে পিচ পড়েছে। একাধিক রাস্তায় বুলডোজার দিয়ে ভাঙা পিচ তুলে দেওয়া হচ্ছে। তারপর নতুন করে পিচের প্রলেপ দেওয়া হচ্ছে। সেই সঙ্গে খারাপ ফুটপাত বাঁধানো হচ্ছে।