নাগপুর: উগান্ডা সহ আফ্রিকার অন্যান্য দেশে বাড়ছে ইবোলার সংক্রমণ। ইতিমধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে ভারতেও। দেশজুড়ে সতর্কতা জারি করেছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক। সম্প্রতি উগান্ডা থেকে নাগপুরে আসা ৪৭ বছরের এক ব্যক্তিকে ২১ দিনের আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। এর আগে বেঙ্গালুরুতেও একই পরিস্থিতি হয়েছিল। সেখানে ২৮ বছরের এক মহিলার শরীরে ইবোলার হালকা উপসর্গ দেখা দিয়েছিল। এরপরই তাঁকেও একইভাবে আইসোলেশনে পাঠানো হয়। তবে তাঁর রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। বুধবার কর্ণাটকের স্বাস্থ্যমন্ত্রী দীনেশ গুন্ডুরাও বলেন, ‘রাজ্যে ইবোলা সংক্রমণ নিয়ে যাঁকে সন্দেহ করা হয়েছিল, রক্ত পরীক্ষার পর তাঁর রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। তিনি এখন সুস্থ রয়েছেন। কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশিকা মেনে নজরদারি ও সবরকম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তর।’ একইসঙ্গে রাজ্যবাসীকে অহেতুক আতঙ্কিত না হওয়ার আরজি জানিয়েছেন মন্ত্রী। এদিকে নাগপুরে উগান্ডা থেকে আসা ব্যক্তির শরীরের ইবোলার উপসর্গ দেখা দেওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। নাগপুর বিমানবন্দরে হাই অ্যালার্ট জারি করতে হয়েছে। নাগপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও একটি আইসোলেশন ওয়ার্ড তৈরি রাখা হয়েছে। একাধিক সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে নাগপুর পুরসভাও। রাত পর্যন্ত কারও ইবোলা ধরা পড়েনি বলে জানিয়েছে পুর কর্তৃপক্ষ। শুধু তাই নয়, বুধবার পর্যন্ত গোটা দেশেও কেউ এই মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হননি। গত ১৭ মে উগান্ডা ও কঙ্গোয় ইবোলার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় ‘আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)। তারপর থেকে ভারত সহ একাধিক দেশ সতর্ক হয়ে যায়।



