সংবাদদাতা, বোলপুর: দীর্ঘ প্রায় ২৫ বছর পর বিশ্বভারতী কর্মরত অবস্থায় প্রয়াত কর্মীদের নিকটজনের নিয়োগ নিয়ে পদক্ষেপ করল। মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। আবেদনকারীদের অভিমত জানানোর সুযোগও রয়েছে।
সংবাদদাতা, বোলপুর: দীর্ঘ প্রায় ২৫ বছর পর বিশ্বভারতী কর্মরত অবস্থায় প্রয়াত কর্মীদের নিকটজনের নিয়োগ নিয়ে পদক্ষেপ করল। মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। আবেদনকারীদের অভিমত জানানোর সুযোগও রয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০০১ সাল ও তার আশপাশের সময়ে চাকরিরত অবস্থায় মারা যাওয়া অধ্যাপক, কর্মী ও আধিকারিকদের পরিবারের সদস্যরা কমপ্যাশনেট গ্রাউন্ডে নিয়োগের জন্য আবেদন করেছিলেন। বিভিন্ন প্রশাসনিক জটিলতা এবং দীর্ঘদিন স্থায়ী কর্মসচিব না থাকায় সেই আবেদনগুলি নিয়ে পদক্ষেপ করা যায়নি। এবার মোট ১৬৮ জন আবেদনকারীর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৫৫ জনকে প্রাথমিকভাবে শর্ট লিস্ট করা হয়েছে। চারজন রয়েছেন আন্ডার কনসিডারেশন। বাকি ন’ জনের নথিপত্রে অসঙ্গতি থাকায় আপাতত তাঁদের আবেদন বাতিল করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকারের নির্ধারিত ১০০ নম্বরের মূল্যায়ন পদ্ধতি অনুসরণ করে আবেদনকারীদের নম্বর দেওয়া হয়েছে। প্রয়াত কর্মীর চাকরির মেয়াদ, পরিবারের আর্থিক অবস্থা, পেনশন সহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রকাশিত তালিকায় ‘শর্ট লিস্টেড’, ‘আন্ডার কনসিডারেশন’ এবং ‘নট শর্ট লিস্টেড’ এই তিনটি বিভাগ রাখা হয়েছে। শর্ট লিস্টেড প্রার্থীদের মধ্য থেকে ভারত সরকারের নিয়ম মেনে ২০ জনকে গ্রুপ সি পদে নিয়োগ দেওয়া হবে বলে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে। যাঁরা নম্বর নির্ধারণ বা তালিকা নিয়ে কোনো অভিমত জানাতে চান, তাঁদের আগামী ২২ জুন সন্ধ্যা ছ’টার মধ্যে রেজিস্ট্রারের উদ্দেশ্যে লিখিত আবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। আন্ডার কনসিডারেশন তালিকায় থাকা প্রার্থীদেরও প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের পরে আবেদন গ্রহণ করা হবে না বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট জানিয়েছে, প্রাথমিক তালিকায় নাম থাকা মানেই চাকরির অধিকার তৈরি হয় না। সমস্ত নথি যাচাই করে ও সরকারি নিয়ম মেনে চূড়ান্ত নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত জনসংযোগ আধিকারিক অতিগ ঘোষ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা কমপ্যাশনেট গ্রাউন্ডে নিয়োগের আবেদনগুলি সরকার নির্ধারিত নিয়ম মেনে বিবেচনা করা হয়েছে। প্রার্থীদের অভিমত জানানোর সুযোগও দেওয়া হয়েছে। প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর চূড়ান্ত নিয়োগ করা হবে।