Bartaman Logo
১৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

হাসিমারায় রেকর্ড ২১৫.৪০ মিলি বৃষ্টি, জলমগ্ন হ্যামিল্টনগঞ্জ বাজার

হাসিমারায় রেকর্ড ২১৫.৪০ মিলিমিটার বৃষ্টিতে জলমগ্ন হ্যামিল্টনগঞ্জ বাজার। ব্যবসায়ীরা সমস্যায়, কী বলছেন স্থানীয়রা? বিস্তারিত পড়ুন।

হাসিমারায় রেকর্ড ২১৫.৪০ মিলি বৃষ্টি, জলমগ্ন হ্যামিল্টনগঞ্জ বাজার
  • ১৪ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: গত ২৪ ঘণ্টায় হাসিমারায় রেকর্ড ২১৫.৪০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত। আর তার জেরেই সোমবার ভোর থেকে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে হ্যামিল্টনগঞ্জ বাজার। এমনিতেই টানা বৃষ্টি, তার উপর কালচিনি, চিঞ্চুলা ও রায়মাটাং, তিনটি চা বাগানের জলও ঢুকে পড়ায় আরও বিপত্তি তৈরি হয় বাজারে। এদিন সকালে হ্যামিল্টনগঞ্জ বাজার সহ একাধিক পাড়ায় কোমর সমান জল দাঁড়িয়ে যায়। বহু দোকানে জল ঢুকে যায়। নষ্ট হয় সামগ্রী। অনেক ব্যবসায়ী সকালের দিকে দোকান পর্যন্তও খুলতে পারেননি। 

Advertisement

টানা বৃষ্টিতে এদিন স্থানীয় কালীবাড়ি মাঠও জলমগ্ন হয়ে পড়ে। হ্যামিল্টনগঞ্জের শতাব্দী প্রাচীন রথের মেলার প্রস্তুতিও ব্যাহত হয়। মেলার মাঠে দোকান বসাতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছেন ব্যবসায়ীরা। উল্লেখ্য, গত ২৪ ঘণ্টায় আলিপুরদুয়ারে মাত্র ৫৬.২০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হলেও, হাসিমারায় রেকর্ড বৃষ্টির জেরে হ্যামিল্টনগঞ্জ বাজার জলমগ্ন হয়ে পড়ে। এছাড়াও ডিপোপাড়া, সুভাষপল্লি, বাসস্ট্যান্ড, স্টেশনপাড়া, কালীবাড়ি মোড় ও ফরোয়ার্ড নগর এলাকা জলের তলায় চলে যায়। তার সঙ্গে তিনটি চা বাগানের জলও ঢুকে গিয়ে পরিস্থিতি আরও ঘোরালো করে তোলে। 
ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের অভিযোগ, বাজারের নিকাশি ব্যবস্থা ভেঙে পড়াতেই তাঁদের জলমগ্ন পরিস্থিতিতে পড়তে হল। হ্যামিল্টনগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক বিপ্লব ঘোষ বলেন, ১৯৯৩ সালে অতুল সুবা যখন কালচিনি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ছিলেন, সেই সময় বাজারে কয়েকটি হাইড্র্যান্ট নির্মাণ হয়েছিল। সেগুলি দিয়েই বৃষ্টির জল বাজারের পাশে বাসরা ঝোরাতে গিয়ে পড়ত। কোনো সমস্যা হত না। কিন্তু গত ১৫ বছরে নিয়মিত সাফাই না হওয়ার কারণে হাইড্র্যান্টগুলি বুজে গিয়েছে। পঞ্চায়েত, প্রশাসনকে বার বার বলা সত্ত্বেও নিকাশিনালা আর পরিষ্কার হয়নি।
হ্যামিল্টনগঞ্জ কালীবাড়ি রথযাত্রা মেলা কমিটির সম্পাদক জীবেশ নস্কর বলেন, শতাব্দী প্রাচীন রথমেলার মাঠে জল জমে গিয়েছে। দোকানও দেওয়া যাচ্ছে না। তৃণমূল পরিচালিত স্থানীয় লতাবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ধীরেন বাগোয়ার বলেন, পঞ্চায়েতের সীমিত আর্থিক ক্ষমতায় এই বাজারের নিকাশি পরিষ্কার সম্ভব নয়। তাই বিষয়টি ব্লকে জানানো হয়েছে। 
এদিকে, বাসরা নদীর জলস্ফীতিতে কালচিনির মেচপাড়া ও সেন্ট্রাল ডুয়ার্স চা বাগান বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। হাউড়ি, বাংরি ও তিথি নদীর জলস্ফীতিতে একইভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে মাদারিহাটের টোটোপাড়াও। 
• নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ