নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: রিলস কিংবা সোশ্যাল মিডিয়া আধুনিক সময়ে তুমুল জনপ্রিয়। কিন্তু রিলস ও সোশ্যাল মিডিয়ার শর্টকাট পথ থেকে নতুন প্রজন্মকে বিরত থাকতেই বলছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার তাঁর নয়া বার্তা— ‘ইনফ্লুয়েন্সারদের প্রভাব ও আকর্ষণ থাকবে। কিন্তু তার থেকে অনেক বেশি কার্যকারী হল বই পড়া। বিশেষ করে আত্মজীবনী পড়া। যাঁরই আত্মজীবনী হোক, সেটি পড়লে অতীত ইতিহাসের সমকাল সম্পর্কে অনেক কিছু জানা যায়।’
প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের আত্মজীবনী প্রকাশ উপলক্ষ্যে মোদি এই মন্তব্য করেছেন। অথচ প্রধানমন্ত্রী নিজে সোশ্যাল মিডিয়া, ইনফ্লুয়েন্সার, ইউটিউবার সম্পর্কে অতীতে বারংবার প্রশংসা করেছেন। এমনকি, ২০২৪ সালে দিল্লির ভারত মণ্ডপমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ‘সেরা ক্রিয়েটর’ পুরস্কার প্রদান করেছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা যুব ইনফ্লুয়েন্সারদের। জেন জি আন্দোলনে সাম্প্রতিক আলোড়নের পর সাধারণ ভিডিয়োর পরিবর্তে তিনি ইনস্টাগ্রামে রিলস মোডেই বার্তা দিয়েছেন একের পর এক। সেই মোদিই এবার রিলস এবং সোশ্যাল মিডিয়ার শর্টকাট পথকে তুলনা করলেন রেলস্টেশনের ফুটব্রিজের সঙ্গে রেললাইন পেরিয়ে অন্য প্ল্যাটফর্মে যাওয়ার প্রবণতাকে। তিনি মনে করিয়ে দিলেন যে, রেলস্টেশনে লেখা থাকে ফুটব্রিজের বদলে রেললাইন পেরিয়ে শর্টকাট করতে গেলে জীবনও শর্টকাট হয়ে যাওয়ার শঙ্কা থাকে। তাই সেটি পরিত্যাজ্য। সেই একইভাবে তাঁর পরামর্শ, রিলসের নেশার তুলনায় বিদগ্ধ ব্যক্তিদের আত্মজীবনী পড়া অনেক বেশি জ্ঞানবর্ধনকারী।