সংবাদদাতা, ডোমকল: বাড়ির থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে যুবককে অপহরণ। দু’দিন পর মুক্তিপণ দাবি। থানায় অভিযোগ দায়ের হওয়ার ঘন্টা কয়েকের মধ্যেই রুদ্ধশাস অভিযান চালিয়ে কলকাতার তিলজলা থেকে অপহৃতকে উদ্ধার করল ডোমকল থানার পুলিস। গ্রেপ্তার করা হয়েছে চার অপহরণকারীকেও। পাশপাশি তাদের হেফাজতে থাকা হরিহরপাড়া এলাকার আরও এক অপহৃত যুবককে উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার শেষ রাতে কলকাতার তিলজলা থানা এলাকার একটি ভাড়া বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ধৃতদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। ধৃতরা হল অরুণ কুমার যাদব, সোনু সিং , রোহিত শাও, অমিতকুমার রায়। রবিবার ধৃতদের আটদিনের পুলিসি হেফাজতের আবেদন জানিয়ে বহরমপুর আদালতে পাঠানো হয়। এদিকে ঘন্টা কয়েকের মধ্যে পুলিসের এই অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে , শনিবার রাতে ডোমকলের জুড়ানপুরের রফিকুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি তাঁর ছেলে হামিম শাকিল মণ্ডলকে অপহরণের একটি অভিযোগ দায়ের করেন। লিখিত অভিযোগে তিনি জানান, গত দু’দিন আগে ছেলের দুই বন্ধু বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়েছিল। পরে বাড়ি না ফেরার বিভিন্ন দিকে ছেলের খোঁজাখুঁজি করেন তিনি। পরে, ছেলের মোবাইল থেকে মুক্তিপণের দাবি চেয়ে ফোন আসে। ছেলে অপহৃত হয়েছে বুঝতে পেরেই শনিবার রাতে ডোমকল থানার দ্বারস্থ হন রফিকুল। ডোমকল থানার আইসি পার্থসারথী মজুমদারের নেতৃত্বে শুরু হয় অপরেশন।
লোকাল সোর্স কাজে লাগিয়ে ও নম্বরের সূত্র ধরে শুরু হয় তল্লাশি। তাতেই পুলিস জানতে পারে, ওই ফোন করা হয়েছে কলকাতার তিলজলা এলাকার একটি ভাড়া বাড়ি থেকে। সাহায্য নেওয়া হয় আইসি তিলজলার। এরপরে ডোমকল থানা ও তিলজলা থানার তরফে ওই ভাড়াবাড়িতে হানা দেয় পুলিস। সেখানে হানা দিয়েই ওই চারজনকে পাকড়াও করা হয়। দেখা যায়, একটি ঘরের মধ্যে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় রয়েছে ওই অপহৃত যুবক। পুলিসের তরফে শুরু হয় আরও তল্লাশি। এরপরে ওই বাড়ি থেকেই আরও এক অপহৃত যুবককে উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ওই যুবকের নাম সুরজ শেখ। তাঁর বাড়ি হরিহরপাড়ার চোঁয়া এলাকায়। তাঁকেও অপহরণ করে নিজেদের ডেরায় রেখেছিল ধৃতরা। এদের দু’জনের নামে আগে থেকেই তিলজলা থানা এলাকায় অপহরণের মামলা রয়েছে। কি কারণে ওই যুবককে অপহরণ করা হয়েছিল, এখনও স্পষ্টভাবে না জানা গেলেও তদন্তকারী এক পুলিস আধিকারিক জানান, প্রাথমিকভাবে যা জানা গিয়েছে, ওই যুবক সম্প্রতি একটি ব্যবসা শুরু করেছিলেন। সেখানকার টাকা পয়সা সংক্রান্ত বচসা থেকেই ওই দুই পরিচিত তাঁকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে অপরহণকারীদের হাতে তুলে দিয়েছিল। পরে মুক্তিপণের মাধ্যমে টাকা হাতানোর ছক ছিল তাদের।
ডোমকলের এসডিপিও শুভম বাজাজ বলেন, থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা অতি সক্রিয়তার সঙ্গে কাজ শুরু করি। আমাদের তরফে লোকাল সোর্স ইনপুট থেকে শুরু করে ইন্টেলিজেন্সের সহায়তা নেওয়া হয়। আমরা জানতে পারি, তিলজলা এলাকায় একটি বাড়িতে রয়েছে অপহৃত। এরপরই তিলজলা থানার সাহায্যে অপহরণকারীদের পাকড়াও করে অপহৃতকে উদ্ধার করা হয়।
লোকাল সোর্স কাজে লাগিয়ে ও নম্বরের সূত্র ধরে শুরু হয় তল্লাশি। তাতেই পুলিস জানতে পারে, ওই ফোন করা হয়েছে কলকাতার তিলজলা এলাকার একটি ভাড়া বাড়ি থেকে। সাহায্য নেওয়া হয় আইসি তিলজলার। এরপরে ডোমকল থানা ও তিলজলা থানার তরফে ওই ভাড়াবাড়িতে হানা দেয় পুলিস। সেখানে হানা দিয়েই ওই চারজনকে পাকড়াও করা হয়। দেখা যায়, একটি ঘরের মধ্যে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় রয়েছে ওই অপহৃত যুবক। পুলিসের তরফে শুরু হয় আরও তল্লাশি। এরপরে ওই বাড়ি থেকেই আরও এক অপহৃত যুবককে উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ওই যুবকের নাম সুরজ শেখ। তাঁর বাড়ি হরিহরপাড়ার চোঁয়া এলাকায়। তাঁকেও অপহরণ করে নিজেদের ডেরায় রেখেছিল ধৃতরা। এদের দু’জনের নামে আগে থেকেই তিলজলা থানা এলাকায় অপহরণের মামলা রয়েছে। কি কারণে ওই যুবককে অপহরণ করা হয়েছিল, এখনও স্পষ্টভাবে না জানা গেলেও তদন্তকারী এক পুলিস আধিকারিক জানান, প্রাথমিকভাবে যা জানা গিয়েছে, ওই যুবক সম্প্রতি একটি ব্যবসা শুরু করেছিলেন। সেখানকার টাকা পয়সা সংক্রান্ত বচসা থেকেই ওই দুই পরিচিত তাঁকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে অপরহণকারীদের হাতে তুলে দিয়েছিল। পরে মুক্তিপণের মাধ্যমে টাকা হাতানোর ছক ছিল তাদের।
ডোমকলের এসডিপিও শুভম বাজাজ বলেন, থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা অতি সক্রিয়তার সঙ্গে কাজ শুরু করি। আমাদের তরফে লোকাল সোর্স ইনপুট থেকে শুরু করে ইন্টেলিজেন্সের সহায়তা নেওয়া হয়। আমরা জানতে পারি, তিলজলা এলাকায় একটি বাড়িতে রয়েছে অপহৃত। এরপরই তিলজলা থানার সাহায্যে অপহরণকারীদের পাকড়াও করে অপহৃতকে উদ্ধার করা হয়।



