লখনউ: আইপিএলের মঞ্চে পচা শামুকে পা কাটার ভুরি ভুরি উদাহরণ রয়েছে। সেই কারণেই বৃহস্পতিবার লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকে। গতবারের চ্যাম্পিয়ন আরসিবি দুরন্ত ফর্মে। ন’টি খলে ছ’টিতে জয়। ১২ পয়েন্ট নিয়ে প্লে-অফের দৌড়ে। লখনউকে হারাতে পারলে আরও মজবুত হবে অবস্থান। সেই সঙ্গে সানরাইজার্সকে ছিটকে দিয়ে পয়েন্ট তালিকায় শীর্ষস্থানে উঠে আসারও সুযোগ রয়েছে। তবে লখনউয়ের হারানোর কিছু নেই। বাকি সব ম্যাচ জিতলে ঋষভ পন্থদের পয়েন্ট দাঁড়াবে ১৪। তাতেও প্লে-অফের টিকিট নিশ্চিত হওয়া কঠিন। কিন্তু ঘরের মাঠে আরসিবি’কে হারিয়ে চমক দিতে তৈরি পন্থ বাহিনী।
আরসিবি গত ম্যাচে হারলেও সার্বিকভাবে দুরন্ত ছন্দেই রয়েছে তারা। ব্যাটিংয়ে বড় ভরসা বিরাট কোহলি। নিয়মিত রান পাচ্ছেন। ওপেনিং জুটিতে তাঁর সঙ্গী হচ্ছেন বেথেল। তিনে দেবদূত পাদিক্কালও ফর্মে। ঝড়ের গতিতে রান যোগ করছেন বাঁ হাতি ব্যাটার। ক্যাপ্টেন রজত পাটীদারও বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের জন্য পরিচিত। তবে পর পর উইকেট পড়ে গেলে বেঙ্গালুরুর পক্ষে সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। তাই জিতেশ শর্মা, টিম ডেভিডদের বাড়তি দায়িত্ব নিতে হবে। বেঙ্গালুরুর বোলিং খুবই শক্তিশালী। দুই তারকা পেসার ভুবনেশ্বর কুমার ও জস হ্যাজলউড বিপাকে ফেলবেন লখনউয়ের ব্যাটারদের। দুই স্পিনার হিসেবে কাজে লাগানো হবে সুয়াশ শর্মা ও ক্রুণাল পান্ডিয়াকে।
অন্যদিকে, লখনউ সুপার জায়ান্টস এখনও ব্যাটিং সেট করে উঠতে পারল না। গত ম্যাচে টপ অর্ডারে বড় বদল চোখে পড়েছিল। মিচেল মার্শের সঙ্গে ওপেন করেছিলেন জস ইংলিশ। আর নিকোলাস পুরান অনেকদিন পর তিন নম্বরে নেমে হাফ-সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন। তাই মনে করা হচ্ছে তিনেই নামবেন তিনি। পন্থ ও মার্করামের ব্যাটে ধারাবাহিকতার অভাব স্পষ্ট, যে কারণে ব্যাটিং জমাট বাঁধছে না।
বোলিংয়েও অনেক খামতি চোখে পড়ছে। হঠাৎ করে ছন্দ হারিয়েছেন মহম্মদ সামি। প্রচুর রান দিচ্ছেন তিনি। আভেশ খানকে নিয়েও আশা কম। মহসিন খান ও প্রিন্স যাদব কাজ চালিয়ে নেওয়ার মতো বোলার। তাই লখনউয়ের বোলিংয়ে কিছু পরবর্তন হলেও হতে পারে।