নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ২০২৪-’২৫ অর্থবর্ষে কেন্দ্রীয় সরকারকে দু’লক্ষ ৬৯ হাজার কোটি টাকা ডিভিডেন্ড দিল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া। ২০২৩-’২৪ অর্থবর্ষে এই লভ্যাংশের পরিমাণ ছিল দু’লক্ষ ১০ হাজার কোটি টাকা। তার আগের অর্থবর্ষে সে অঙ্ক ছিল প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা। অনেকের বক্তব্য, এর থেকে স্পষ্ট আর্থিকভাবে অনেকটাই সুবিধাজনক জায়গায় রয়েছে আরবিআই। তারা দাবি করেছে, তাদের মোট সম্পদের ৭.৫ শতাংশ সরিয়ে রাখা হয়েছে ‘কনটিনজেন্সি রিস্ক বাফার’ হিসেবে। এর অর্থ, আর্থিকভাবে আচমকা যদি কোনও সমস্যা তৈরি হলে তা সামাল দেওয়ার জন্য একটি বড় অঙ্কের টাকা সরিয়ে রাখা হয়। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের হাতে থাকা সম্পদের মূল্য কমে যাওয়া, বিনিয়োগে যথাযথ রিটার্ন না আসার মতো খামতিগুলি ঢাকা হয় ওই টাকায়। ২০২৩-’২৪ অর্থবর্ষে সেই হার ছিল ৬.৫ শতাংশ। করোনাকালে তা ৫.৫ শতাংশ ছিল। তারপর থেকে ধাপে ধাপে ‘বাফার’ বাড়াতে শুরু করে আরবিআই। কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কটি দাবি করেছে, বেশি দরে ডলার বিক্রি, সুদ বাবদ আয় বৃদ্ধি এবং বিদেশি মুদ্রা বিনিময়ে সুবিধাজনক পরিস্থিতিতে থাকার ফলে বিপুল আয় হয়েছে। তারই একটি অংশ কেন্দ্রীয় সরকারকে ডিভিডেন্ড হিসেবে দিয়েছে তারা।



