Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

রবিবার সামনে পাকিস্তান, লক্ষ্যে অবিচল টিম ইন্ডিয়া

রবিবার সামনে পাকিস্তান, লক্ষ্যে অবিচল টিম ইন্ডিয়া
  • ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
দুবাই: যে কোনও বড় আসরে প্রথম ম্যাচে জয় পাওয়ার গুরুত্ব অপরিসীম। এক ঝটকায় ক্রিকেটারদের মনোবল অনেকটাই বেড়ে যায়। সেই হিসেবে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ৬ উইকেটে জয় টিম ইন্ডিয়াকে বাড়তি অক্সিজেন জুগিয়েছে। তাও আবার রবিবার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মহরণে নামার আগে। শুভমান গিলের সেঞ্চুরি, মহম্মদ সামির পাঁচ উইকেট এবং হর্ষিত রানার কার্যকরী বোলিং যথেষ্ট ইতিবাচক দিক। তবে অস্বস্তিও চাপা থাকছে না। বিশেষ করে ক্যাচ ফস্কানোর প্রদর্শনীতে বেশ বিরক্ত কোচ গৌতম গম্ভীর। ম্যাচের পর তিনি ক্রিকেটারদের সতর্ক করেছেন। গোতি জানেন, ফোকাস ধরে রাখা জরুরি। গ্রুপের একটা ম্যাচে হার মানেই বিপদের আশঙ্কা। তাই পাকিস্তান ম্যাচেও জয়ের ধারা বজায় রাখাই লক্ষ্য টিম ইন্ডিয়ার। আসলে বাবরদের কাছে হারলে শেষ চারে ওঠার লড়াই কঠিন হবে ভারতের কাছে। তখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়াবে নেট রান রেট। বাংলাদেশকে দরমুশ করলেও নেট রান রেটের দিকে গিলদের নজর ছিল বলে মনে হয়নি। ড্রেসিং-রুম থেকে কোনও বার্তাও পৌঁছায়নি ব্যাটসম্যানদের কাছে। ফলে দুলকি চালেই টার্গেট চেজ করেছে ভারত। আরও দ্রুত জয় ছিনিয়ে নিতে পারলে নিউজিল্যান্ডের (+১.২০০) থেকে নেট রান রেটে খুব বেশি পিছিয়ে থাকতে হতো না ভারতকে (+০.৪০৮)। আসলে টুর্নামেন্টের ফরম্যাট বেশ কঠিন। ভারতকে আবার গ্রুপের শেষ ম্যাচটি খেলতে হবে শক্তিশালী নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে। তাই শুধু জেতা নয়, নেট রান রেটের অঙ্ক কষাটাও জরুরি। সেই প্রচেষ্টা অন্তত প্রথম ম্যাচে ভারতীয় শিবিরে দেখা যায়নি।
Advertisement
মনে রাখতে হবে, টুর্নামেন্টে টিকে থাকার জন্য ভারতের বিরুদ্ধে অন্তত জিততেই হবে পাকিস্তানকে। তাই রিজওয়ানরা যে মরণ কামড় দেবেন, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। পাক শিবির থেকে গোলাবর্ষণ শুরু হয়ে গিয়েছে। পেসার হ্যারিস  রউফ জানিয়েছেন, ‘ভারত শক্তিশালী দল। তবে আমরাও ওদের হারাতে পারি।’ তবে শক্তির নিরিখে টিম ইন্ডিয়া অনেক এগিয়ে। বুমরাহর অনুপস্থিতি ঘিরে যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, তা প্রথম ম্যাচে ভোকাট্টা করে দিয়েছেন সামি। ৫ উইকেট নিয়ে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন, বয়স শুধুই সংখ্যা। তাঁর মধ্যে এখনও অনেক খেলা বাকি। তরুণ পেসার হর্ষিত রানাও টিম ম্যানেজমেন্টের আস্থার মর্যাদা দিতে সফল। বরং কুলদীপ যাদব, রবীন্দ্র জাদেজাদের স্পিনে তেমন ঝাঁঝ দেখা যায়নি। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতীয় বোলিংকে আরও ঐক্যবদ্ধ লড়াই মেলে ধরতে হবে।
ভারতের ব্যাটিংয়েও অনেক খামতি আছে। জয়ের উচ্ছ্বাসে তা ঢাকা পড়লেও যে কোনও দিন তা পরাজয়ের কারণ হয়ে উঠতে পারে। বিরাট কোহলিরা এখন ধারে নয়, ভারে কাটছেন। নাম ভঙিয়ে বেশিদিন চলবে না। ব্যাট হাতে তাঁদের পারফর্ম করতে হবে। বোর্ডের ভয়ে বহু প্রাক্তন ক্রিকেটার মুখে কুলুপ এঁটেছেন। কিন্তু ঘনিষ্ঠ মহলে তাঁদের ফিসফাস, এদের থেকে যশশ্বীকে খেলালে ভালো হতো। যাই হোক, পাকিস্তান ম্যাচ কিন্তু কোহলি-রোহিতদের অ্যাসিড টেস্ট!
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ