Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

রবিবার ভারত-নিউজিল্যান্ড ফাইনাল, কিউয়িরা জিতল ৫০ রানে, চোকার্স তকমা ঘোচাতে ব্যর্থ দক্ষিণ আফ্রিকা

রবিবার ভারত-নিউজিল্যান্ড ফাইনাল, কিউয়িরা জিতল ৫০ রানে, চোকার্স তকমা ঘোচাতে ব্যর্থ দক্ষিণ আফ্রিকা
  • ৬ মার্চ, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
লাহোর: নিউজিল্যান্ডের রানের পাহাড়ে চাপা পড়ল দক্ষিণ আফ্রিকা! বুধবার লাহোরে প্রোটিয়াদের ৫০ রানে উড়িয়ে ফাইনালে মিচেল স্যান্টনারের দল। অর্থাত্, রবিবার দুবাইয়ে খেতাবি লড়াইয়ে দেখা যাবে ভারত-নিউজিল্যান্ড দ্বৈরথ। ২০১৯ বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে কিউয়িদের কাছে হেরেই স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল রোহিত শর্মাদের। মরুশহরে তার প্রতিশোধেই এখন চোখ ‘মেন ইন ব্লু’র।
Advertisement
সেমি-ফাইনালে এদিন দক্ষিণ আফ্রিকার উপর কার্যত রোলার চালিয়ে দিলেন স্যান্টনাররা। গদ্দাফি স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথম ব্যাট করে ৬ উইকেটে ৩৬২ রান তোলে কিউয়িরা। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ইতিহাসেও যা সর্বাধিক। দুরন্ত শতরান হাঁকিয়ে ম্যাচের নায়ক রাচীন রবীন্দ্র (১০৮)। তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছন কেন উইলিয়ামসনও (১০২)। জবাবে দক্ষিণ আফ্রিকা ৯ উইকেটে তোলে ৩১২। ইনিংসের শেষ বলে শতরান পূর্ণ করেন ডেভিড মিলার (অপরাজিত ১০০)। তবে তার অনেক আগেই রানতাড়া থেকে হারিয়ে গিয়েছিল প্রোটিয়ারা। আইসিসি ট্রফিতে চোকার্স অপবাদ এবারও ঘুচল না দক্ষিণ আফ্রিকার।
রাচীন ও উইলিয়ামসনের ব্যাটে এদিন রেকর্ডের ছড়াছড়ি দেখল লাহোর। রাচীনের এটা পঞ্চম সেঞ্চুরি। এর প্রতিটাই এসেছে আইসিসি ইভেন্টে। প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে আবার শতরানের হ্যাটট্রিক করলেন উইলিয়ামসন। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির এক আসরে সর্বাধিক ৫টি সেঞ্চুরির রেকর্ডও গড়ল কিউয়িরা। এখনও পর্যন্ত রাচীন দু’বার এবং কেন উইলিয়ামসন, টম লাথাম ও উইল ইয়ং একবার তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছেছেন। 
টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নিউজিল্যান্ডের বড় রানের ভিত গড়ে দেন রাচীন ও উইলিয়ামসন। দ্বিতীয় উইকেটে ১৬৪ রান যোগ করেন তাঁরা। ১০১ বলে রাচীনের ইনিংসে ছিল ১৩টি চার ও একটি ছয়। ৯৪ বলে উইলিয়ামসনের ১০২ রানের ইনিংস সাজানো ১০টি চার ও ২টি ছক্কায়। শেষদিকে ড্যারিল মিচেল (৪৯) ও গ্লেন ফিলিপসের (অপরাজিত ৪৯) ব্যাটে সাড়ে তিনশোর গণ্ডি টপকায় নিউজিল্যান্ড।
রান তাড়া করতে নেমে একটা সময় দক্ষিণ আফ্রিকাকেও ভয়ঙ্কর দেখাচ্ছিল। তেম্বা বাভুমা (৫৬) ও রাসি ফন ডার ডুসেন (৬৯) দ্বিতীয় উইকেটে যোগ করেন ১০৫। এই দু’জনকে স্যান্টনার ফেরাতেই ম্যাচের রাশ চলে যায় নিউজিল্যান্ডের হাতে। ব্যর্থ ক্লাসেন (৩), মার্করামও (৩১)। শেষ পর্যন্ত স্যান্টনার (৩-৪৩), ফিলিপস (২-২৭), রাচীন (১-২০), ব্রেসওয়েলের (১-৫৩) স্পিন জালেই ধারশায়ী প্রোটিয়া-ব্রিগেড। শেষ দিকে ডেভিড মিলার মরিয়া লড়াইও চালালেও হার এড়ানো সম্ভব হয়নি।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ