নয়াদিল্লি: ২০২৫ আইপিএলে শেষবার মাঠে নেমেছিলেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তাঁর গায়ে তখন চেন্নাই সুপার কিংসের জার্সি। যে দলের হয়ে ক্রোড়পতি লিগে খেলা শুরু, তাদের হয়েই কেরিয়ার শেষ করেছিলেন তিনি। তবে আক্ষেপ একটাই, চিপক স্টেডিয়ামে খেলে বিদায় নিতে পারেননি তিনি। হলুদ জার্সিতে তাঁর শেষ ম্যাচটি ছিল দিল্লির ফিরোজ শাহ কোটলা স্টেডিয়ামে। এক বছর কেটে গেলেও চেন্নাইয়ের ড্রেসিং-রুমের কথা ভুলতে পারছেন না অশ্বিন। পাশাপাশি তাঁর স্মৃতিতে কড়া নাড়ছে সুপার কিংস দলে প্রথমবার সুযোগ পাওয়ার নেপথ্য কাহিনী।
২০০৮ সালের চ্যালেঞ্জার্স ট্রফির ম্যাচে মহেন্দ্র সিং ধোনিকে আউট করেছিলেন অশ্বিন। মাহিকে ফিরিয়ে উচ্ছ্বসিত সেলিব্রেশন করেছিলেন তারকা অফ স্পিনার। বিষয়টিতে বিরক্ত হয়েছিলেন ধোনি। অশ্বিনের কাছে জানতে চান এমন উচ্ছ্বাসের কারণ? অফ স্পিনারের জবাব ছিল, ‘তোমার উইকেটটা আমার দরকার ছিল। কারণ এটাই আমায় চেন্নাই সুপার কিংসে খেলার সুযোগ করে দেবে।’ সেই মুহূর্তে ক্যাপ্টেন কুল কোনো কথা না বললেও অশ্বিনের ইচ্ছা পূরণ করেছিলেন মাহি। তাঁকে সই করান চেন্নাইয়ে। অশ্বিনের মন্তব্য, ‘দলে সুযোগ পেলেও প্রথম একাদশে জায়গা পেতে অনেক লড়তে হয়েছে আমায়। কারণ সেই সময় মুত্থাইয়া মুরলীধরন ছিলেন চেন্নাইয়ের প্রধান স্পিন বোলার। তাই আমি সুযোগ পাই ২০০৯ সালে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে। ইচ্ছে ছিল, সিএসকে-র জার্সিতে সারা জীবন খেলার। কিন্তু তা হয়নি।’ উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে রাইজিং পুনেতে যেতে হয় তাঁকে। সেখান থেকে পাঞ্জাব কিংস ও দিল্লি ক্যাপিটালস হয়ে ফের চেন্নাইয়ে ফেরেন অশ্বিন।
২০১০ থেকে ২০১৫ সাফল্যের চূড়ায় ছিল চেন্নাই। তার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তারকা অফ স্পিনার বলেন, ‘সেই সময় দলে ব্যাটিং ও বোলিংয়ে দারুণ ভারসাম্য ছিল। তাছাড়া চেন্নাই ম্যানেজমেন্টও অসাধারণ। ক্রিকেটেরাদের যাবতীয় বিষয়ে খেয়াল রাখেন তাঁরা। তাই চিন্তামুক্তভাবে মাঠে সেরাটা উজাড় করে দিতে পারে খেলোয়াড়রা।’