Bartaman Logo
২৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বিধানসভার নতুন স্পিকার মনোনীত হলেন রথীন্দ্রনাথ বসু

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অষ্টাদশ বিধানসভার স্পিকার নির্বাচিত হলেন শাসকদলের মনোনীত প্রার্থী রথীন্দ্রনাথ বসু। বিরোধীরা কোনও প্রার্থী না দেওয়ায় ধ্বনি ভোটেই তাঁর নির্বাচন সম্পন্ন হয়। এই প্রক্রিয়ায় শাসকদল তাঁকে স্পিকার হিসেবে সমর্থন জানায়।

বিধানসভার নতুন স্পিকার মনোনীত হলেন রথীন্দ্রনাথ বসু
  • ১৫ মে, ২০২৬ ১২:৩৯
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিধানসভার নতুন স্পিকার নির্বাচিত হলেন শাসকদলের মনোনীত প্রার্থী রথীন্দ্রনাথ বসু। বিরোধীরা কোনও প্রার্থী না দেওয়ায় ধ্বনি ভোটেই তাঁর নির্বাচন সম্পন্ন হয়। এই প্রক্রিয়ায় শাসকদল তাঁকে স্পিকার হিসেবে সমর্থন জানায়। বিরোধীদের ধন্যবাদ জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা তৈরির পরে এই প্রথমবার উত্তরবঙ্গ থেকে কেউ স্পিকার হিসাবে মনোনীত হলেন।

Advertisement

বিধানসভায় স্পিকারের নাম প্রস্তাব করেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রস্তাবকে সমর্থন করেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল সহ শাসকদলের বিধায়করা। বিরোধী পক্ষ থেকে কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় ধ্বনিভোটে রথীন্দ্রনাথ বসুকে স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত ঘোষণা করেন প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়। পরে তাঁকে স্পিকারের আসনে আনুষ্ঠানিকভাবে বসানো হয়। উত্তরবঙ্গ অবহেলিত বলে বিজেপি চিরকালই অভিযোগ তুলে এসেছিল। এবার তারা ক্ষমতায় এসে যেন সেই দোষ খণ্ডানোর উদ্যোগ নিয়েছে। নিশীথের পর রথীন্দ্রবাবুকে বিধানসভার স্পিকার করা, যা বিজেপির একেবারে মাস্টার স্ট্রোক বলে মনে করা হচ্ছে। উচ্চ শিক্ষিত, মৃদুভাষী রথীন্দ্র বসু নির্বাচন চলাকালীন বা জয়ের পরেও কোনো প্রবল উচ্ছ্বাস দেখাননি। বিরোধীদের তীব্র আক্রমণের সামনে পড়েও যুক্তিপূর্ণ, দৃঢ় পদক্ষেপ করেছেন। এবার তিনি বিধানসভার স্পিকারের মত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হলেন। যা কোচবিহারবাসীর কাছেও গর্বের।

এদিনের ঘটনায় রাজনৈতিক সৌজন্যের পাশাপাশি একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, এবার থেকে বিধানসভার কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষ বিধায়কদের কাজকর্ম, বিরোধীদের ভূমিকা এবং সরকারের কার্যপ্রণালী সরাসরি দেখতে পারবেন বলে দাবি করেন তিনি। তিনি জানান, 'এই ঐতিহাসিক ভবনে বাজেটসহ গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশন সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থা করা হবে। অতীতের সব ত্রুটি ভুলে আমরা বলছি, এখানে নির্বাচিত বিধায়কদের কার্যক্রম যাতে জনগণ সরাসরি দেখতে পারেন, সেই ব্যবস্থাই থাকা উচিত। আমরা চাই না বিধানসভার নির্ধারিত কাজকর্ম অযথা ব্যাহত হোক বা বিরোধীরা তা ভেস্তে দিক। বিধানসভা কোনোভাবেই সংঘর্ষ বা মারামারির জায়গা হতে পারে না। একই সঙ্গে আমরা এটাও চাই না যে কোনো বিরোধী নেতাকে বিনা কারণে দীর্ঘ সময়ের জন্য হাউসের বাইরে থাকতে হয়, কিংবা কোনো বিধায়ককে আহত অবস্থায় বিধানসভা ছাড়তে হয়।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ