নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: কখনো মারধর, তো কখনো খুনের চেষ্টার অভিযোগ হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এবার ধর্ষণের নালিশ দায়ের হল ক্যানিং পশ্চিমের তৃণমূল বিধায়ক পরেশরাম দাসের বিরুদ্ধে। এই নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে ক্যানিং জুড়ে। জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালে এই ঘটনা ঘটেছিল। তার তিন বছর বাদে অভিযোগ দায়ের করেছেন নির্যাতিতা! এতদিন বাদে কেন অভিযোগ, সেই নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। নির্যাতিতা বলেন, স্বামীকে পঞ্চায়েত ভোটে টিকিট পাইয়ে দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। সেজন্য চার লক্ষ টাকা লাগবে বলে দাবি করেন ওঁরা। আমাকে টাকা নিয়ে আসতে বলা হয়। সেই টাকা সহ আমাকে বিধায়কের বৃদ্ধাশ্রমে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে পরেশ আসেন। টাকা নিয়ে নেওয়া হয়। এরপর আমায় মারধর করে ধর্ষণ করেন পরেশ। পরে বাড়ি ফিরে স্বামীকে ঘটনাটা বলি। তখন থানায় অভিযোগ করতে গেলে সেটা নেওয়া হয়নি। কিন্তু থানায় গিয়েছি জানতে পেরে আমার বাড়িতে বোমাবাজি করেছিল কিছু দুষ্কৃতী। ভয়ে পরিবার নিয়ে তামিলনাড়ু চলে গিয়েছিলাম। সেখানেই তিন বছর ছিলাম। সরকার পরিবর্তন হতে ফিরে এসেছি। এখন ক্যানিং থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। এদিকে পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ পাওয়ার পরই সেটা এফআইআর হিসাবে গণ্য করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। এখানেই শেষ নয়, বিধায়ককে অন্য একটি মামলায় আবার তলব করেছে সিআইডি। আগামীকাল, মঙ্গলবার তাঁকে ভবানীভবনে আসতে বলা হয়েছে। এই দু’টি ঘটনা নিয়ে পরেশবাবু বলেন, আমায় কালিমালিপ্ত করার জন্য মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে। পুরোটাই চক্রান্ত। আর সিআইডি যে আমায় ডেকেছে, সেই খবর আমি সংবাদমাধ্যমে দেখলাম। কিন্তু আমার হাতে কোনো চিঠি আসেনি। তবে সত্যি ডাকা হলে আমি সবরকম সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।



