টরন্টো: ক্রোয়েশিয়ার কাছে তখন এক গোলে পিছিয়ে পর্তুগাল। হাইড্রেশন ব্রেকে তরুণ সতীর্থকে কাছে ডেকে নিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। কানের কাছে মুখ নিয়ে গিয়ে ফিসফিসিয়ে কিছু বললেন পর্তুগিজ মহাতারকা। অমনই বদলে গেল গনসালো র্যামোসের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ। যেন সাফল্যের দরজা খোলার গোপন মন্ত্রটা পেয়ে গিয়েছেন তিনি! তার সফল প্রয়োগও ঘটিয়েছেন ২৫ বছরের ফরোয়ার্ড। পরিবর্ত হিসাবে মাঠে নেমে শেষ লগ্নের গোলে দলকে এনে দিয়েছেন শেষ ষোলোর ছাড়পত্র। পর্তুগালের সুপার-সাবকে ঘিরে প্রশংসার ঢেউ বইছে বিশ্বকাপের মঞ্চে।
ম্যাচ শেষে সাফল্যের রহস্য উন্মোচন করলেন স্বয়ং র্যামোস। জানালেন, রোনাল্ডোকে দেওয়া কথা রাখতে বদ্ধপরিকর ছিলেন তিনি। ইনজুরি টাইমের গোল তারই ফসল। র্যামোস বলেছেন, ‘বিরতিতে রোনাল্ডো আমাকে বলেছিল, দলের জন্য সেরাটা উজাড় করে দিতে হবে। প্রত্যুত্তরে আমি বলি, চিন্তা নেই, মাঠে নামলে গোল করবই।’ হাইড্রেশন ব্রেকে সেই কথাটাই তাঁকে আরও একবার স্মরণ করিয়ে দেন সিআরসেভেন। পেরিসিচের গোলে পিছিয়ে পড়ার পর র্যামোসকে ৬২ মিনিটে মাঠে নামান কোচ রবার্তো মার্তিনেজ। এর কিছুক্ষণ পরেই পেনাল্টি থেকে লক্ষ্যভেদে ম্যাচে সমতা ফেরান রোনাল্ডো। ৮০ মিনিটে তিনি উঠে যাওয়ার পর দায়িত্ব আরও বাড়ে র্যামোসের। আর তা পালন করতে পেরে গর্বিত সদ্য এসি মিলানে যোগ দেওয়া প্রতিভাবান ফরোয়ার্ড। তাঁর কথায়, ‘আমরা আমাদের শক্তি প্রমাণ করেছি। দলের জয়ে অবদান রাখতে পেরে খুশি। কঠিন সময়ে জ্বলে ওঠার ক্ষমতা রয়েছে। ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেওয়াই আমার কাজ।’কোচ মার্তিনেজের কণ্ঠে শোনা গিয়েছে জয়ের নায়কের স্তুতি। তিনি বলেন, ‘মাঠে নামলে র্যামোস সবসময়ই দলের জন্য বাড়তি কিছু নিয়ে আসে।’