লখনউ: অযোধ্যার রামমন্দিরে দানের নগদ টাকা, সোনা, রুপো সহ দামি অলঙ্কার চুরির অভিযোগে দেশজুড়ে শোরগোল। ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্তে নেমেছে সিট। এবার তদম্তকারীদের রেডারে শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাইয়ের সহযোগী রামশংকর যাদব ওরফে টিন্নু যাদব। সূত্রে খবর, শীঘ্রই মামলা দায়ের করে টিন্নুকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে। এর জেরে বিপাকে পড়তে পারেন চম্পতও। তাঁর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। পদ খোয়াতে পারেন ট্রাস্ট ও মন্দির কর্তৃপক্ষের শীর্ষকর্তা অনিল মিশ্রা, গোপাল রাও সহ অন্যরা। সব ঠিক থাকলে সোমবারই উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের হাতে এই সংক্রান্ত রিপোর্ট তুলে দেবে সিট।
এরইমাঝে সামনে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। একাধিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, রামমন্দিরের অনুদানের নথি থেকে উধাও ৬০ কেজি রুপো। মুম্বইয়ের এক ব্যবসায়ী সহ বেশ কয়েকজনের দাবি, মন্দিরে রুপোর মালা, পাদুকা সহ নানা সামগ্রী দান করার পর কোনো রসিদ মেলেনি। ইতিমধ্যে একাধিক দাতার বয়ান রেকর্ড করেছে সিট। জানা গিয়েছে, মুম্বইয়ের ব্যবসায়ী অনিল বিশ্বকর্মা রামলাল্লার জন্য তিন কেজি ওজনের রুপোর মালা, এক কেজির রুপোর পাদুকা দান করেছিলেন। মন্দিরে ঢুকতেই টিন্নু তাঁদের গর্ভগৃহে নিয়ে যায়। তারপর টিন্নুই সেগুলি সংগ্রহ করে। কিন্তু কোনো রসিদ মেলেনি। বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন ইন্ডিয়া বুলিয়ন অ্যান্ড জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের উত্তর ভারত রিজিয়নের প্রধান অনুরাগ রাস্তোগি। তাঁর কথায়, দেশজুড়ে অলংকার ব্যবসায়ীরা রামমন্দিরের জন্য প্রায় ৬০ কেজি রুপো পাঠিয়েছিলেন। পরে তা গলিয়ে এক থেকে এক কেজি ২৫ গ্রাম ওজনের একাধিক ইট তৈরি করা হয়। কিন্তু মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন বা পরের দিকে নির্মাণ কাজের সময়ও সেগুলি দেখা যায়নি। সব উধাও হয়ে গিয়েছে।