Bartaman Logo
২৪ আগস্ট, ২০২৬

৫ বছর লিভ-ইন সম্পর্কের পর বিয়ে না করলেও ধর্ষণ নয়: এলাহাবাদ হাইকোর্ট

পাঁচবছর ধরে লিভ-ইন সম্পর্ক। তারপর বিয়ে করতে নারাজ হলেও সেই মামলাকে ধর্ষণ বলে মান্যতা দেওয়া হবে না। শনিবার এলাহাবাদ হাইকোর্টের তরফে ঐতিহাসিক এই রায় ঘোষণা করা হয়েছে।

৫ বছর লিভ-ইন সম্পর্কের পর বিয়ে না করলেও ধর্ষণ নয়: এলাহাবাদ হাইকোর্ট
  • ২১ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

প্রয়াগরাজ: পাঁচবছর ধরে লিভ-ইন সম্পর্ক। তারপর বিয়ে করতে নারাজ হলেও সেই মামলাকে ধর্ষণ বলে মান্যতা দেওয়া হবে না। শনিবার এলাহাবাদ হাইকোর্টের তরফে ঐতিহাসিক এই রায় ঘোষণা করা হয়েছে। ২০১৯ সালের এক মামলার শুনানিতে উচ্চ আদালতের তরফে এমনটাই জানিয়েছে আদালতের সিঙ্গল বেঞ্চ। প্রয়াগরাজের কর্নেলগঞ্জ থানায় ২০১৯ সালে একটি ধর্ষণের মামলা দায়ের হয়। তাতে ভারতীয় দণ্ডবিধির বেশ কয়েক ধারায় এফআইআর হয়েছিল। জানা যায়, ২০১৪ সালে প্রতাপগড় থেকে প্রয়াগরাজে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে এসেছিলেন অভিযুক্ত। সেই সময় দূর সম্পর্কের আত্মীয় হিসাবে অভিযোগকারীর বাড়িতে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা হয় অভিযুক্ত যুবকের। ধীরে ধীরে দু’জনের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তাঁরা শারীরিকভাবেও মিলিত হন। এইভাবে পাঁচবছর চলার পর ওই যুবক আর মহিলাকে বিয়ে করতে চাননি। তার জেরেই ধর্ষণের মামলা দায়ের হয়। ২০২১ সালে মামলা থেকে অব্যাহতির জন্য হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অভিযুক্ত যুবক। 

Advertisement

এদিন সেই মামলার পর্যবেক্ষণের পর আদালতের তরফে বিচারপতি বিবেক গুপ্তা জানিয়ে দেন, ২০১৪ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত দু’জনের সম্পর্ক ছিল। কাজেই বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে সহবাসের অভিযোগ এখানে খাটে না। কারণ দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে দু’জনের সম্পর্ক ছিল। যদি বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতির জন্যই সহবাস হবে, তাহলে সেই সম্পর্ক এতদিন টেনে নিয়ে যাওয়ার কোনও কারণ ছিল না। কাজেই দু’পক্ষের সম্মতিতেই সম্পর্ক এগিয়েছে। এই ঘটনাকে কোনোভাবেই ধর্ষণ হিসাবে গণ্য করা হবে না। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ