Bartaman Logo
৩ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের বৈঠকে সন্ত্রাসবাদের প্রসঙ্গ টেনে এনে নাম না করে পাকিস্তানকে খোঁচা রাজনাথের

চীনে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের বৈঠকে যোগ দিয়েছেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।

সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের বৈঠকে সন্ত্রাসবাদের প্রসঙ্গ টেনে এনে নাম না করে পাকিস্তানকে খোঁচা রাজনাথের
  • ২৬ জুন, ২০২৫ ১৫:০৬

বেজিং, ২৬ জুন: চীনে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের বৈঠকে যোগ দিয়েছেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। আর সেই বৈঠকে বক্তব্য রাখতে গিয়েই ফের একবার সন্ত্রাসবাদের প্রসঙ্গ টেনে এনে পাকিস্তানকে নাম না করে খোঁচা দিয়েছেন রাজনাথ। তিনি বলেছেন,  ‘কিছু দেশ সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদকে নীতিগত ভাবে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে এবং জঙ্গিদের আশ্রয় দিচ্ছে। এই ধরনের দ্বিমুখী নীতির কোনও স্থান নেই। এই প্রেক্ষাপটে কোনও দেশের সমালোচনা করার ক্ষেত্রে এসসিও-র কোনও দ্বিধা করা উচিত নয়। জঙ্গিরা এখন অস্ত্র ও মাদক পাচারে যে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করে তার প্রতিরোধ করা উচিত আমাদের। আমরা সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি, যা কাজের মাধ্যমেই প্রকাশিত।’

Advertisement

পাশাপাশি বিশ্বের তাবড় দেশের প্রতিনিধিদের সামনেই ফের একবার অপারেশন সিন্দুর নিয়ে দৃপ্ত কণ্ঠে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘পহেলগাঁওতে জঙ্গি হামলা লস্করদের দ্বারাই সংঘটিত অপরাধ। হামলার ধরণ দেখে তেমনটাই অনুমান করা যায়। সেই হামলার বিরুদ্ধে জবাব দিয়েছে ভারত। এটা আমাদের অধিকার। গত ৭ মে অপারেশন সিন্দুর অভিযানে ভারত পাক অধিকৃত কাশ্মীর ও পাকিস্তানে থাকা জঙ্গিদের ঘাঁটিকে গুঁড়িয়ে দিয়েছে। ভেঙে দেওয়া হয়েছে সন্ত্রাসবাদের কোমড়।’ তবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজনাথ এও বলেন, কোনও বড় এবং শক্তিশালী দেশের পক্ষে একা সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। বৈঠক শেষে একটি যৌথ বিবৃতি জারি করতে চেয়েছিল সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন। কিন্তু সেই বিবৃতিতে পহেলগাঁও প্রসঙ্গে না থাকায় ও বালোচদের নিয়ে তথ্য থাকায় সই করেননি ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। যার ফলে যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করতে পারেনি সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন।

ভারতের তরফে রাজনাথ সিং ছাড়াও এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী অ্যাডমিরাল ডং জুন। এছাড়াও এসসিও-এর সদস্য দেশ পাকিস্তান, ইরান, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, রাশিয়া, তাজিকিস্তান ও উজবেকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। 

সম্পর্কিত সংবাদ