গুয়াহাটি: শুরু করলেন বৈভব সূর্যবংশী। শেষ করলেন ধ্রুব জুরেল। রাজস্থান রয়্যালসের দুই ব্যাটসম্যানের দাপটে ২০১ রান করেও ম্যাচ জিততে পারল না বেঙ্গালুরু রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স। গুয়াহাটিতে প্রথমে ব্যাট করে আরসিবি তুলেছিল ৮ উইকেটে ২০১। রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ঝড় তোলে ১৫ বছরের বৈভব। ৮টি চার ও ৭টি ছক্কা সহ ২৬ বলে তার ৭৮ রানের ইনিংসেই একপ্রকার জয়ের পথ প্রশস্ত হয় রাজস্থানের। বাকি কাজটা নিখুঁতভাবে সারলেন ধ্রুব জুরেল। ৪৩ বলে ৮১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে দুই ওভার বাকি থাকতেই দলকে লক্ষ্যে পৌঁছে দিলেন তিনি। সেই সুবাদে টানা চার জয়ে শীর্ষস্থান আরও মজবুত করল রাজস্থান রয়্যালস। ৪ ম্যাচের তাদের সংগ্রহ ৮ পয়েন্ট।
রাজস্থান চলতি আসরে দুরন্ত ফর্মে। চেনা পরিবেশে টস জিতে ফিল্ডিং নেন রাজস্থান ক্যাপ্টেন। ইনিংসের প্রথম বলেই ওপেনার ফিল সল্টকে ফেরান জোফ্রা আর্চার। তিনে নামা দেবদূত পাদিক্কালও থামলেন ১৪ রানে। দলের ২ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর সবার নজর ছিল বিরাট কোহলির দিকে। তবে সেট হওয়ার পরও ব্যক্তিগত ৩২ রানে বিষ্ণোইয়ের গুগলিতে বোল্ড হলেন ভিকে। তাতে আরও চাপ বাড়ে বেঙ্গালুরুর। এরপর ক্রুণাল পান্ডিয়া (১), জিতেশ শর্মা (৫) ও টিম ডেভিডও (১৩) বড় রান পাননি। তবে চাপের মুখে অধিনায়কোচিত ইনিংস উপহার দিলেন রজত পাটীদার। বেঙ্গালুরু অধিনায়কও সন্দীপ শর্মাকে বড়ো শট খেলেতে গিয়ে ক্যাচ দিলেন। তবে শেষ দিকে দায়িত্ব নিয়ে দলকে দুশোর গণ্ডিতে পৌঁছে দিলেন বেঙ্কটেশ আয়ার। ১৫ বলে অপরাজিত ২৯ রানের ইনিংস উপহার দিলেন তিনি।
রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই জমাট দেখাচ্ছিল রাজস্থানকে। সৌজন্যে বৈভব সূর্যবংশী। ওপর ওপেনার যশস্বী জয়সওয়ালও দু’বার বল গ্যালারিতে পাঠালেন। তবে ব্যক্তিগত ১৩ রানের মাথায় তাঁকে ফেরান হ্যাজলউড। তবে রানের গতি কমেনি তাতে। এরপর ধ্রুব জুরেলের সঙ্গে জুটি বেঁধে মারকাটারি ব্যাটিং মেলে ধরে বৈভব। তাকে থামান ক্রুনাল পান্ডিয়া। দুরন্ত ক্যাচ ধরে বৈভবকে (৭৮) ডাগ-আউটে ফেরালেন বিরাট। তবে ততক্ষণে ২৬ বলে ৭টি ছক্কা ও ৮টি চার মেরে গ্যালারির পয়সা উসুল করে দিয়েছে তরুণ প্রতিভা। বৈভব ফিরতে স্কোরবোর্ড সচল রাখেন ধ্রুব। হেটমায়াররা (০), ব্যর্থ হলেও জাদেজাকে (অপরাজিত ২৪ রান) সঙ্গে নিয়ে দুরন্ত জয় ছিনিয়ে নেন তিনি।