গ্লাসগো: ২০১৮ সালে কুইন্সল্যান্ড কমনওয়েলথ গেমসে অভিষেকেই বাজিমাত করেছিলেন নীরজ চোপড়া। ৮৬.৪৭ মিটার জ্যাভেলিন ছুড়ে শুরু হয়েছিল তাঁর সোনালি যাত্রা। কিন্তু ২০২২ সালে চোটের জন্য বার্মিংহাম কমনওয়েলথ গেমসে নামাই হয়নি ভারতের সোনার ছেলের। এবার গ্লাসগোয় ফের একরাশ প্রত্যাশা নিয়ে ফিরছেন তিনি। আগামী ৩০ জুন ফিল্ডে নামবেন নীরজ। তবে তার আগে চিন্তা বাড়াচ্ছে আবহাওয়া। পূর্বাভাস বলছে, বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তার সঙ্গে দমকা হাওয়াও ভোগাতে পারে প্রতিযোগীদের। জ্যাভেলিনে এমন আবহাওয়া যে বড় চ্যালেঞ্জ, তা মানছেন ওলিম্পিকসে জোড়া পদকজয়ী তারকা। নীরজ বলেন, ‘জ্যাভেলিন থ্রোয়ে আবহাওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রতিটি প্রতিযোগিতাতেই আবহাওয়ার সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয়। পূর্বাভাস সম্পর্কে শুনেছি। সেই মতো প্রস্তুতিও নিচ্ছি। আশা করি, নিজের সেরাটাই দিতে পারব।’
২০২৪ সালের পর আন্তর্জাতিক মঞ্চে সেভাবে সাফল্য পাননি নীরজ। গত বছর জুরিখ ডায়মন্ড লিগে রুপো জিতেছিলেন। তারপর স্রেফ ব্যর্থতাই সঙ্গী। কমনওয়েলথে চেনা ছন্দে ফিরতে মরিয়া ভারতীয় তারকা। তাঁকে কড়া চ্যালেঞ্জ ছুড়তে পারেন এশিয়ার দুই প্রতিদ্বন্দ্বী। প্যারিস ওলিম্পিকে সোনা জিতে বিশ্বকে চমকে দিয়েছেন পাকিস্তানের আরশাদ নাদিম। অন্যদিকে, চলতি বছর দোহা ডায়মন্ড লিগে ৯২.৬২ মিটার জ্যাভেলিন ছুড়ে সাড়া ফেলে দিয়েছেন শ্রীলঙ্কার রুমেশ থারাঙ্গা পাথিরাগে। দু’জনেই থাকছেন এবারের লড়াইয়ে। এই প্রসঙ্গে নীরজের বক্তব্য, ‘প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলে সেরাটা উজাড় করে দেওয়ার তাগিদ মেলে। ওদের সঙ্গে লড়াই উপভোগ করতে চাই।’ গত বছর দোহা ডায়মন্ড লিগে অতিক্রম করেছেন বহুপ্রতীক্ষিত ৯০ মিটারের মাইলফলক। পারবেন কি পার্সোনাল বেস্ট ছাপিয়ে যেতে? নীরজের জবাব, ‘প্রত্যেক প্রতিযোগিতায় ৯০ মিটার ছোড়া সম্ভব নয়। তবে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা যায়। আমি সেই দর্শনেই বিশ্বাসী।’