নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর, বরানগর, সংবাদদাতা, বসিরহাট: কালীপুজো ও দীপাবলির আগের নিষিদ্ধ শব্দবাজির বিরুদ্ধে অভিযানে নেমেছে পুলিশ। অভিযানে নিউটাউন, নারায়ণপুর, দমদম ও বসিরহাট থেকে ১৫০ কেজিরও বেশি নিষিদ্ধ বাজি উদ্ধার করেছে। ৭ জনকে গ্রেপ্তারও করেছে। এর মধ্যে ৪ জন ব্যবসাদার। বারুইপুরের চম্পাহাটির হাড়ালে নিষিদ্ধ বাজির বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে পুলিশ ওই এলাকার ৫টি দোকান বন্ধ করেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত রবিবার নিউটাউনে একটি বিলাসবহুল গাড়ি থেকে ৩৫ কেজি নিষিদ্ধ বাজি উদ্ধার করেছিল ইকোপার্ক থানা। একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। মঙ্গলবার দুপুরে ফের নিউটাউনে একটি বিলাসবহুল গাড়ি থেকে ৪৮ কেজি নিষিদ্ধ বাজি উদ্ধার করেছে টেকনোসিটি থানা। তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের নাম কেশব আগরওয়াল, বিনয় জয়সোয়াল এবং সঞ্জীব রঞ্জন। গাড়িটি বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। সুয়োমোটো মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্তও শুরু করেছে। অন্যদিকে নিষিদ্ধ বাজি বিক্রির অভিযোগে সোমবার নারায়ণপুর থানা এক মাংস বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতের নাম সুরেশ মণ্ডল। তাঁর কাছে মেলে ১২ কেজি নিষিদ্ধ বাজি।
অন্যদিকে সোমবার রাতে নিষিদ্ধ শব্দবাজি বিক্রির অভিযোগে দমদম ও নাগেরবাজার থানা দুই ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতদের কাছে থেকে ৪১ কেজি নিষিদ্ধ শব্দবাজি বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। বেদিয়াপাড়া আর এন টেগোর রোডের বাসিন্দা আকাশ বিশ্বাস নিজের দোকানে নিষিদ্ধ শব্দবাজি বিক্রি করছিলেন। রাতে হানা দিয়ে তাঁর দোকান থেকে ১১.৯০ কেজি শব্দবাজি বাজেয়াপ্ত করে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এছাড়া দমদম থানা এলাকার প্রমোদনগরের বাসিন্দা সুমিত দাসের গোরাবাজার এলাকায় দোকান আছে। পুলিশ তাঁর দোকানে হানা দিয়ে ২৯ কেজি নিষিদ্ধ শব্দবাজি উদ্ধার করে ও তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
এর পাশাপাশি বসিরহাটের মাটিয়া থানার অন্তর্গত স্বরূপনগর বাজারে মুদির দোকানের আড়ালে নিষিদ্ধ শব্দবাজি বিক্রির অভিযোগে এক দোকানদারকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম অনুপকুমার বিশ্বাস। সোমবার রাতে পুলিশ ওই মুদির দোকানের গোডাউনে হানা দেয়। সেখানে তল্লাশি চালাতেই উদ্ধার হয় কয়েকশো প্যাকেট নিষিদ্ধ শব্দবাজি।



