Bartaman Logo
৪ জুন, ২০২৬

রাহুলের ভোট চুরি অভিযোগের সারবত্তা নেই: কমিশন

বিজেপি-বিরোধী বনাম নির্বাচন কমিশন। বিবাদ ক্রমশ তীব্র হচ্ছে। ভোট চুরির অভিযোগে বিহারে ‘ভোটাধিকার যাত্রা’য় বিরোধীরা যত আগ্রাসী হচ্ছে, দিল্লিতে নিজেদের পক্ষে ততই সাফাইয়ের সুর চড়াচ্ছে নির্বাচন কমিশন।

রাহুলের ভোট চুরি অভিযোগের সারবত্তা নেই: কমিশন
  • ২৬ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: বিজেপি-বিরোধী বনাম নির্বাচন কমিশন। বিবাদ ক্রমশ তীব্র হচ্ছে। ভোট চুরির অভিযোগে বিহারে ‘ভোটাধিকার যাত্রা’য় বিরোধীরা যত আগ্রাসী হচ্ছে, দিল্লিতে নিজেদের পক্ষে ততই সাফাইয়ের সুর চড়াচ্ছে নির্বাচন কমিশন। রাহুল গান্ধী সহ বিরোধীরা যে ভোটচুরির অভিযোগ করছেন, তার কোনও সারবত্তা নেই বলেই সোমবার প্রচারে নামল কমিশন।  গত রবিবার (১৭ আগস্ট) নজিরবিহীনভাবে ন্যাশনাল মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিক সম্মেলন করে বিহারের স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন (এসআইআর) কেন প্রয়োজন, তার ব্যাখা দিয়েছিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। সেখানেই এক প্রশ্নের উত্তরে রাহুল গান্ধীর নাম না করে বলেছিলেন, ‘যে জাতীয় নেতা কমিশনের বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগ করে পরোক্ষে সংবিধানকেই অপমান করছেন, আগামী সাতদিনের মধ্যে যদি দাবির সপক্ষে হলফনামা জমা না দেন, তাহলে প্রমাণ হবে যে ওই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।’ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাহুলের উদ্দেশ্যে এও বলেছিলেন, ‘হয় হলফনামা জমা দিন। নাহলে গোটা দেশের কাছে ক্ষমা চান।’ লোকসভার বিরোধী দলনেতা তার কোনও কিছুই করেননি। উল্টে বিহারে সুর চড়াচ্ছেন ভোটাধিকার যাত্রায়। তাই সোমবার সাতদিন পেরতেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের এক সপ্তাহ আগে দেওয়া আলটিমেটামের অংশটি ভিডিও ক্লিপ আকারে প্রচার করছে কমিশন। সাধারণ মানুষকে বোঝানোর আপ্রাণ চেষ্টা করছে, ভোট চুরি বলে কিছু হয় না।  অন্যদিকে বিরোধী ইন্ডিয়া জোটও বিহার কর্মসূচিতে বিরোধী জোটের শক্তি প্রদর্শনে জোর দিচ্ছে। আগামী ১ সেপ্টেম্বর পাটনায় কর্মসূচির সমাপ্তি অনুষ্ঠানে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের সব নেতানেত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে কংগ্রেস। রাহুল চাইছেন, ওদিনের কর্মসূচিতে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা অভিষেকের মতো কোনও শীর্ষ নেতৃত্ব যোগ দিন। কিন্তু তৃণমূলের বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই দু’জনের কেউই পাটনায় যাবেন না। এর ফলে যাতে ইন্ডিয়া জোটে ভুল বার্তা না যায়, সে ব্যাপারে সতর্ক তৃণমূলও। তাই প্রতিনিধি হিসেবে অন্য কাউকে পাঠানো হবে বলেই ঠিক হয়েছে। তৃণমূলের অবস্থান, আগামী বছরই পশ্চিমবঙ্গে ভোট। তাই কংগ্রেসের সঙ্গে সখ্য রাখা হবে না। আবার কেন্দ্রীয়স্তরে বিজেপি বিরোধী জোটও বজায় রাখা হবে। তাই কম ওজনদার কাউকে প্রতিনিধি করে পাটনায় পাঠাবে তৃণমূল। কংগ্রসকে সেকথা জানিয়েও দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, ১ সেপ্টেম্বর আগে থেকেই মমতা এবং অভিষেকের রাজ্যে কর্মসূচি রয়েছে। তাই তাঁরা যেতে পারছেন না। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ