Bartaman Logo
৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

দিল্লিতে মণিপুরের সংগীতশিল্পীকে খুন, কেন্দ্রকে নিশানা রাহুল গান্ধীর

বাড়ির সামনে হুজ্জতির প্রতিবাদের জের। দেশের রাজধানী দিল্লিতে মণিপুরের সংগীতশিল্পী চোংথাম বিক্রম সিংকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ

দিল্লিতে মণিপুরের সংগীতশিল্পীকে  খুন, কেন্দ্রকে নিশানা রাহুল গান্ধীর
  • ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: বাড়ির সামনে হুজ্জতির প্রতিবাদের জের। দেশের রাজধানী দিল্লিতে মণিপুরের সংগীতশিল্পী চোংথাম বিক্রম সিংকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ। রবিবার রাতে বাড়ির সামনে দুষ্কৃতীদের হামলায় জখম হন শিল্পী। সোমবার ভোরে হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। মেইতেই সম্প্রদায়ের এই শিল্পীকে খুনের ঘটনায় সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

Advertisement

রবিবার রাতে দিল্লির কিলোকারি ভিলেজ অঞ্চলে শিল্পীর বাড়ির সামনে কয়েকজন যুবক মত্ত অবস্থায় হুল্লোড় করছিল বলে অভিযোগ। এর প্রতিবাদ করার পরই তাঁর উপর চড়াও হয় অভিযুক্তরা। গুরুতর জখম শিল্পীকে হাসপাতালে নিয়ে যান তাঁর ছেলে ইয়াইফাবা। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। ঘটনার তদন্তে নেমে ধাবা ও ফুড স্টলের সাতজন কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে দিল্লি পুলিশ। নাম ভরত কুমার, প্রমোদ, রমজান খান, দীপাংশু, মোহন বিশ্বকর্মা, বিজয়, মন্নু। আটক করা হয় এক নাবালককে। ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের নর্থ ইস্ট স্টুডেন্টস সোসাইটি। এক বিবৃতিতে তারা ঘটনার দ্রুত ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবি তুলেছে। নিন্দায় সরব কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে, মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা, মণিপুরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং প্রমুখ। শোকপ্রকাশ করেছেন মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী খেমচাঁদ সিং। মঙ্গলবার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে রাহুল লিখেছেন, ‘দিল্লিতে বসবাসকারী উত্তর-পূর্ব ভারতের পরিবারগুলির মুখে আজ একটাই প্রশ্ন-আমরা কি এখানে নিরাপদ? বিশেষ করে উত্তর-পূর্বের মানুষের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান এই অরাজকতা রুখতে কী পদক্ষেপ নিচ্ছে অমিত শাহের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ও দিল্লি পুলিশ?’ এব্যাপারে বিজেপি নেতা তথা উত্তর-পূর্বাঞ্চল উন্নয়নমন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া বলেন, ‘উত্তর-পূর্ব ভারতের মানুষদের নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে কোনো সমঝোতা করা যাবে না। বিক্রমের পরিবার, বন্ধুদের সমবেদনা জানাই।’ মণিপুরের সংগীত মহলে পরিচিত মুখ  বিক্রম একাধিক ব্যান্ড ও গানের দলে গিটারিস্ট হিসাবে যুক্ত ছিলেন। প্রায় ২০ বছর আগে মণিপুর ছেড়ে দিল্লি চলে আসেন আদতে পশ্চিম ইম্ফলের বাসিন্দা বিক্রম। জানা গিয়েছে, ভারতের প্রথম বাফটা জয়ী সিনেমা ‘বুঙ্গ’-এর পরিচালক লক্ষ্মীপ্রিয়াদেবীর আত্মীয় ছিলেন বিক্রম।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ