নয়াদিল্লি: কথায় আছে, শেষ ভালো যার সব ভালো তার। এর উল্টোটাও সত্যি। শেষটা খারাপ মানে সবটাই খারাপ। আইপিএলে এবারের আসরের শেষ ম্যাচে কলকাতা নাইট রাইডার্সের ১১০ রানের লজ্জাজনক পরাজয়েই তা প্রতিফলিত। গতবারের চ্যাম্পিয়নদের এবার তো কোনওকিছুই ক্লিক করেনি।
নয়াদিল্লি: কথায় আছে, শেষ ভালো যার সব ভালো তার। এর উল্টোটাও সত্যি। শেষটা খারাপ মানে সবটাই খারাপ। আইপিএলে এবারের আসরের শেষ ম্যাচে কলকাতা নাইট রাইডার্সের ১১০ রানের লজ্জাজনক পরাজয়েই তা প্রতিফলিত। গতবারের চ্যাম্পিয়নদের এবার তো কোনওকিছুই ক্লিক করেনি।
১৪ ম্যাচে ১২ পয়েন্টে আট নম্বরে শেষ করল শাহরুখ খানের ফ্র্যাঞ্চাইজি। জয় মাত্র পাঁচটিতে। এমন শ্রীহীন পারফরম্যান্সের পর তোপের মুখে তারকারা। প্রায় ২৪ কোটির বেঙ্কটেশ আয়ার ২০.২৮ গড়ে করেছেন মোটে ১৪২ রান। ১৮.৫৫ গড়ে আন্দ্রে রাসেলের সংগ্রহ ১৬৭। রিঙ্কু সিংয়ের ২০৬ রান এসেছে ২৯.৪২ গড়ে। ‘রিটেইন’ করা রামনদীপ সিং অবশ্য পঞ্চাশও পেরোননি। ৯.৪০ গড়ে তাঁর ব্যাটে এসেছে মোটে ৪৭। লোয়ার মিডল অর্ডারের দশা রীতিমতো করুণ। ক্যাপ্টেন অজিঙ্কা রাহানেও মেনেছেন ব্যাটিংয়ে হতাশার কথা। তিনি বলেছেন, ‘ব্যাটিংয়েই ভরাডুবি হয়েছে। আমাদের তিন-চারজন ব্যাটসম্যান একেবারেই ফর্মে ছিল না। তবে এমন পরিস্থিতি সামলানোর জন্য ওদের যথেষ্ট অভিজ্ঞতা রয়েছে। নিশ্চিতভাবেই রিঙ্কু, রামনদীপরা এর থেকে শিক্ষা নিয়ে ঘুরে দাঁড়াবে।’
ক্রোড়পতি লিগে নাইটদের ব্যর্থ অভিযান নিয়ে রাহানের মূল্যায়ন, ‘ওঠাপড়ার মধ্যে দিয়ে চলেছি আমরা। আমরা সুযোগ পাইনি তা নয়। কিন্তু ভালো খেলতে পারিনি, সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়েছি। এই ফরম্যাটে অবশ্য এমন চড়াই-উতরাই থাকে। পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে ১১২ তাড়া করে জিততে পারিনি। লখনউয়ের বিরুদ্ধে ২৩৯ তাড়া করে চার রানে হেরেছি। চেন্নাই ম্যাচেও বাজেভাবে পরাজিত হয়েছি। এই ম্যাচগুলোর ফল অন্যরকম হতেই পারত। তবে চ্যাম্পিয়নশিপ জেতা যেমন কঠিন, তা ধরে রাখা আরও কঠিন। আমরা সেরাটাই দিয়েছি। চেষ্টায় ফাঁকি ছিল না। এটা বলতে পারি যে পরের বার আমরা শক্তিশালী হয়ে ফিরব।’