Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিনোদন

রঘু ডাকাতের চিঠি

দুই পুত্র জনার্দন ও মধুসূদন এবং পুত্রবধূ ডালিমরানিকে নিয়ে তার সংসার।

রঘু  ডাকাতের চিঠি
  • ৮ আগস্ট, ২০২৫ ১৬:০৮
Prefer us on Google

ঝিঙের চরের জমিদার ফটিক চন্দ্র মহাসঙ্কটে পড়েছেন। কারণ ত্রাস সঞ্চারকারী রঘু ডাকাত জানিয়েছে অমাবস্যার মধ্যরাতে কালী মায়ের পুজো ও বলিদান শেষ করে সে জমিদার বাড়িতে ডাকাতি করতে আসবে। জমিদার যেন তার উপযুক্ত আপ্যায়নের ব্যবস্থা রাখেন। দুই পুত্র জনার্দন ও মধুসূদন এবং পুত্রবধূ ডালিমরানিকে নিয়ে তার সংসার। রঘুডাকাতের চিঠি পেয়ে ফটিকচন্দ্র ঠিক করলেন খবরটা যেন পাঁচকান না হয়। কিন্তু যেভাবেই হোক তা বহুজনের মধ্যে ছড়িয়ে পরে। নায়েব, গোমস্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক হয়, আত্মসমর্পণ নয়। যেভাবেই হোক রঘুডাকাতকে প্রতিহত করতে হবে। এখানেই বাধে গোল। দেখা গেল খাতায় কলমে  পঁয়ত্রিশ জন পাইক, সেপাই, বরকন্দাজ থাকলেও বাস্তবে আছে মাত্র দু’জন। বাকিরা হয় মৃত, নয় পঙ্গু। অথচ এদের নামে প্রতি মাসে জমিদারি থেকে বেতন তোলা হয়। এর নেপথ্যে রয়েছে নায়েব, গোমস্তা। ফটিকচন্দ্রের যখন জেরবার অবস্থা, তখন পাশে এসে দাঁড়ায় আশৈশবের বন্ধু গিয়াসউদ্দিন মাস্টার।

Advertisement

‘চন্দননগর যুগের যাত্রী’র নতুন নাটক ‘রঘু ডাকাতের চিঠি’র কাহিনি অনেকটা এমনই। সদ্য তপন থিয়েটারে মঞ্চস্থ হল এই নাটক। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একের পর এক মজার অভিঘাতে নাটক এগিয়ে চলে পরিণতির দিকে। নাট্যকার শংকর বসুঠাকুর চমৎকার ভাবে চরিত্র নির্মাণ করেছেন। রামকৃষ্ণ মণ্ডলের পরিচালনায় সকলেই ভালো অভিনয় করেছেন। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আলো, রবীন্দ্রনাথ দাসের মঞ্চ, সন্দীপের আবহ ও শঙ্কর পাল রূপসজ্জায় মুন্সিয়ানার পরিচয় দিয়েছেন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ