কলি ঘোষ: কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নির্বাচিত কিছু গান, কবিতা ও ‘চিত্রা’ নাটকের অংশবিশেষ নিয়ে রচিত গীতিকাব্য ‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জার্মানি’ সম্প্রতি উপস্থাপিত হল ম্যাক্স মুলার ভবনে। গোথে ইনস্টিটিউট আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে কবিগুরুর সঙ্গে জার্মানির সাংস্কৃতিক মত বিনিময় এবং আইনস্টাইন সহ বেশ কয়েকজন গুণী ব্যক্তিত্বদের প্রসঙ্গ আলাপচারিতায় উঠে আসে। বিশ্বের নানা দেশের মতো জার্মানির সঙ্গেও সুসম্পর্ক গড়ে ওঠেছিল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের। যা এক শতাব্দী পরেও বিদ্যমান। দর্শন, সঙ্গীত ও সাহিত্যের দেশ জার্মানি রবীন্দ্রনাথকে কেবলমাত্র বাংলার কবি হিসাবেই নয় বরং সর্বজনীন মানবতার কণ্ঠস্বর হিসাবেও গ্রহণ করেছিল। ১৯১৩ সালে রবীন্দ্রনাথ যখন ‘সং অফারিংস’-এর জন্য নোবেল পুরস্কার পান তখন জার্মানিতে তাঁকে নিয়ে চর্চা শুরু হয়। তারপর গোটা ইউরোপেই তিনি পরিচিতি পান। তিনবার জার্মানি যান তিনি। সেখানে বসে লেখা বেশ কিছু গানের মধ্যে ‘আমারে তুমি অশেষ করেছ’, ‘গানে গানে তব বন্ধন যাক টুটে’, ‘মধুর তোমার শেষ যে না পাই’ ইত্যাদি গানগুলি রীনা দোলন বন্দ্যোপাধ্যায় ও প্রদীপ দত্তের কণ্ঠে শুনতে চমৎকার লাগে। তথ্য সমৃদ্ধ ভাষ্যে কণ্ঠ সহযোগিতায় কোরক বসু ও ঈপ্সিতা গঙ্গোপাধ্যায় প্রশংসনীয়। ভালো লাগে সংস্থার ডিরেক্টর আস্ট্রিড ভেগে ও স্নেহা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জার্মান ভাষায় কবিতাপাঠ।



