নয়াদিল্লি: আইপিএলের চলতি আসরে ২১ উইকেট হয়ে গিয়েছে কাগিসো রাবাডার। গুজরাত টাইটান্সের ডানহাতি পেসার এই নিয়ে চার মরশুমে কুড়ির বেশি উইকেট দখলের কৃতিত্ব দেখালেন। তবে নিজের আগুনে ফর্ম নয়, চলতি আসরে এক তরুণ প্রতিভার ঝলকে অভিভূত ৩০ বছর বয়সি প্রোটিয়া। সেই বিস্ময় কিশোরের নাম বৈভব সূর্যবংশী। রাজস্থান রয়্যালসের ১৫ বছরের ওপেনার পরপর ছক্কা হাঁকিয়েছে তাঁকে। সতীর্থ মহম্মদ সিরাজ তো বটেই, মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের যশপ্রীত বুমরাহকেও প্রথম বলে ছয় মেরেছে সে। বাঁ-হাতি ব্যাটারের তাণ্ডব থেকে রেহাই পাননি জশ হ্যাজলউডের মতো অভিজ্ঞ তারকাও।
বৈভব সম্পর্কে উচ্ছ্বসিত রাবাডা বলেছেন, ‘ও দুর্দান্ত প্রতিভা। একেবারে ভয়ডরহীন। অবশ্য কম বয়সে এটাই স্বাভাবিক। একই সঙ্গে ও দুর্ধর্ষ ব্যাটসম্যান। ওর ব্যাটিং ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে দারুণ বিনোদন। আমি অবশ্য ওকে স্রেফ আর একজন ব্যাটার হিসেবে দেখেই বল করি। চেষ্টা করি, ওকে বোকা বানিয়ে আউট করতে। নিশ্চিতভাবেই বৈভব এক্স-ফ্যাক্টর। ওর মত অসাধারণ প্রতিভা মেলা কঠিন।’
রাবাডা নিজেও এই মরশুমে ভরসা দিচ্ছেন দলকে। তা নিয়ে যদিও মুখ খুলতে রাজি নন তিনি। শুধু বলেছেন, ‘নিজের সেরাটা দেওয়াই আমার কাজ। ফল নিয়ে ভাবি না।’ নতুন বলের পার্টনার সিরাজ প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য, ‘আমাদের জুটিটা বেশ জমেছে। আমরা দু’জনেই নিজের দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করি। সেরাটা মেলে ধরাই লক্ষ্য থাকে। জুটি হিসাবে সাফল্যের নেপথ্যে কিন্তু কোনও জাদু নেই।’ পাশাপাশি রাবাডা প্রশংসা করেছেন আরসিবি’র পেসার ভুবনেশ্বর কুমারের। লাল বলের ক্রিকেটের মেজাজেই বল করছেন ভুবি। তাতেই আসছে সাফল্য। রাবাডার মতে, ‘একসময় টানা দুই মরশুমে পার্পল ক্যাপ জিতেছিল ভুবি। এবারও ছন্দে। সত্যিটা হল, ভালো বল করলে উইকেট আসবেই। সেখানে বয়স বাধা হতে পারে না।’