নয়াদিল্লি: প্যারোলে ছাড়া পেয়েই গা ঢাকা দিয়েছিল সিরিয়াল কিলার ‘দিল্লির কসাই’ চন্দ্রকান্ত ঝা। প্রায় এক বছর পরে শুক্রবার ওল্ড দিল্লি রেল স্টেশন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করল পুলিস। দিল্লি পুলিসের অ্যাডিশনাল কমিশনার সঞ্জয় সৈন জানিয়েছেন, সাতটি খুনের আসামি চন্দ্রকান্তের হদিশ পেতে ছ’মাস আগে বিশেষ টিম তৈরি করা হয়। তারা খতিয়ে দেখেছেন কল রেকর্ডস। চন্দ্রকান্তের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছেন। বাদ দেওয়া হয়নি ‘ক্রাইম স্পট’গুলিও। খোঁজ পেতে ৫০ হাজার টাকার আর্থিক পুরস্কারও ঘোষণা করেছিল দিল্লি পুলিস। খবর মেলে, ওল্ড দিল্লি রেল স্টেশনে আসতে পারে চন্দ্রকান্ত। সেই মতো জাল বিছন তদন্তকারীরা। তাতেই মেলে সাফল্য। জানা গিয়েছে, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত চন্দ্রকান্ত বিহারের বাসিন্দা। তবে দিল্লির আজাদপুর মান্ডিতে থাকত। ১৯৯৮ থেকে ২০০৭-এর মধ্যে সাতজনকে হত্যা করে চন্দ্রকান্ত। তার অপরাধ-প্রবণতায় রাজধানীতে হইচই পড়ে যায়। ‘দিল্লির কসাই’ নামে পরিচিতি লাভ করে। একের পর এক খুনের অপরাধে ঝুলছে ফাঁসির সাজা। দীর্ঘদিন কারাগারে থাকার পর ৯০ দিনের প্যারোলে মুক্ত হয়ে ২০২৩ সালের অক্টোবরে বাইরে বের হয় সে। কিন্তু, মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও জেলে ফিরছিল না। তারপরই সাত খুনের আসামীকে ধরতে বিশেষ টিম তৈরি করে পুলিস। এক পুলিস কর্তা জানিয়েছেন, চন্দ্রকান্তের অপরাধ প্রবণতা চমকে দেওয়ার মতো। খুনের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের হাত বেঁধে দিত। নানচাকু দিয়ে শ্বাসরোধ করে খুনের পর দেহ টুকরো করে বিভিন্ন জায়গায় ফেলে দিত।



