সংবাদদাতা, হরিশ্চন্দ্রপুর: দু’মাস ধরে বিকল ২ নম্বর পাম্প। একবছর হতে চললেও চালু হয়নি ৩ নম্বর পাম্প। একমাত্র ১ নম্বর পাম্প দিয়ে সীমিত সময় জল সরবরাহ হলেও তা পৌঁছচ্ছে না বহু পরিবারের কাছে। ফলে পানীয় জলের তীব্র সংকটে হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের মহেন্দ্রপুর, দক্ষিণ রামপুর ও আলিপুরের বাসিন্দারা। সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে এলাকায়। পিএইচই’র চাঁচল মহকুমার এক ইঞ্জিনিয়ার বলেন, বিষয়টি জেলায় জানানো হয়েছে। টেন্ডার হলেই ২ নম্বর পাম্প মেরামত করা হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৩ সালে মহেন্দ্রপুর এলাকায় জল সরবরাহের জন্য দুটি পাম্প বসায় পিএইচই। একবছর আগে আলিপুরে আরও একটি পাম্প বসানো হয়। অভিযোগ, বসানোর মাসখানেক পর আলিপুরের পাম্পটি বন্ধ হয়ে যায়। অতিরিক্ত আয়রনযুক্ত জল ওঠায় প্রশাসন সেটি বন্ধ করে রেখেছে। ফিল্টার বসানোর কথা থাকলেও এখনও তা কার্যকর হয়নি। অন্যদিকে, দু’মাস ধরে বিকল ২ নম্বর পাম্প। ফলে একটি পাম্পের উপর নির্ভর করেই চলছে তিন গ্রামের পরিষেবা। সকাল ও বিকেলে আধঘণ্টা করে জল এলেও অনেক পরিবার তা পাচ্ছে না। আলিপুরে জল পৌঁছয় না বলে অভিযোগ। দক্ষিণ রামপুর ও মহেন্দ্রপুরের বহু পরিবারও জল পরিষেবা থেকে বঞ্চিত। বাধ্য হয়ে বাসিন্দাদের অগভীর নলকূপের জল পান করতে হচ্ছে। অনেকে টাকা দিয়ে জল কিনছেন। মহেন্দ্রপুরের মহম্মদ কাইফ বলেন, আধঘণ্টা জল দেওয়া হলেও কয়েকটি বোতল ভরার আগেই সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। বাধ্য হয়ে জল কিনতে হচ্ছে। দক্ষিণ রামপুরের রঞ্জন প্রামাণিক বলেন, গ্রামে জল আসে না।
২ নম্বর পাম্পের অপারেটর রেজাউল ইসলাম জানান, বিকল হওয়ার বিষয়টি মহকুমা ইঞ্জিনিয়ারকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। ৩ নম্বর পাম্পের অপারেটর মামনি খাতুন বলেন, ফিল্টার বসানোর কথা থাকলেও কাজ এগয়নি।