Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পিসিশাশুড়ির  ই-ওয়ালেট থেকে টাকা তোলা নিয়ে   কি অশান্তি শুরু?

পিসিশাশুড়ির  ই-ওয়ালেট থেকে টাকা তোলা নিয়ে   কি অশান্তি শুরু?
  • ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত ও কলকাতা: পিসিশাশুড়ির ই-ওয়ালেট থেকে বিভিন্ন জায়গায় মেটানো হয়েছে টাকা। দফায় দফায় নিহত সুমিতা ঘোষের অ্যাকাউন্ট থেকে ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা পাঠানো হয় অন্যত্র। আসলে টাকা দিতে রাজি ছিলেন না পিসিশাশুড়ি। তাই নিয়েই অশান্তি হতো। আর, সেই কারণেই কি খুন করা হল সুমিতাকে, এই প্রশ্নটাই ঘুরপাক খাচ্ছে তদন্তকারীদের মধ্যে। পাশাপাশি সম্প্রতি অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা লেনদেন কেমন হয়েছে, সেটা বারাসত পুলিস জেলা সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের কাছে লিখিতভাবে জানতে চাইবে। এদিকে বৃহস্পতিবার ধৃত অভিযুক্ত মেয়ে ফাল্গুনী ও মা আরতি ঘোষকে বারাসত আদালতে তোলা হলে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।
Advertisement
মধ্যমগ্রামের বীরেশ পল্লিতে পিসিশাশুড়ি খুন কাণ্ডে কলকাতার উত্তর বন্দর থানার এফআইআরের ভিত্তিতেই এদিন মধ্যমগ্রাম থানার পুলিস কেস শুরু করে। তার ভিত্তিতেই এদিন দুই অভিযুক্তকে বারাসত আদালতে তোলা হয়। ধৃতদের বিরুদ্ধে ভারতীয় সংহিতা আইনে খুন এবং তথ্য প্রমাণ লোপাট ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিস। এদিন সকালেই আলিপুর সেন্ট্রাল জেল থেকে ফাল্গুনী ও আরতিকে আনা হয় বারাসত আদালতে। কিন্তু মধ্যমগ্রাম থানা থেকে কেসের কাগজ না আসায় দিনভর কোর্ট লক আপেই রাখা হয় মা ও মেয়েকে। সন্ধ্যা সাড়ে পাঁচটায় মধ্যমগ্রাম থানার পক্ষ থেকে কেসের কাগজ আদালতে জমা দেওয়ার পর শুরু হয় বিচার প্রক্রিয়া। কোর্ট লক আপ থেকে ফাল্গুনী এবং আরতিকে পুলিসি নিরাপত্তায় নিয়ে আসা হয় বারাসত আদালতের অ্যাডিশনাল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কিংশুক সাধুখাঁর 
এজলাসে। ভিতরে মহিলা পুলিসের ঘেরাটোপে পাশাপাশি দাঁড়িয়েছিল মা এবং মেয়ে। কিছুক্ষণ দাঁড়ানোর পর মাথা ঘুরে পড়ে যায় আরতি। তাকে ধরাধরি করে বসানো হয়। মেয়ে জলের বোতল থেকে মায়ের মাথায়, মুখে জল দেয়। আসামি পক্ষের হয়ে এদিন সাতজন আইনজীবী ছিলেন। ধৃতদের জামিনের আবেদনের বিরোধিতা 
করেন সরকারি আইনজীবী মেহতাব আলম। এরপর দুই অভিযুক্তকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। এদিকে, অভিযুক্তদের আইনজীবী সুশোভন মিত্র বিচারককে বলেন, যে ব্যাগে দেহ উদ্ধার হয়েছে, সেটা আমার মক্কেলের নয়। ব্যাগের চাবি আমার মক্কেলের কাছেও ছিল না। ওরা নির্দোষ। পুলিস আরতিকে ইনজেকশন দিয়েছে বলেও বিচারককে জানান তিনি।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ