নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিধানসভায় একদিন বক্তব্য রাখতে চান বর্তমান উপ রাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকার। এমনই ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তিনি। আরও গুরুত্বপূর্ণ হল, ধনকারের এই বার্তা নিয়ে দিল্লি থেকে কলকাতায় এসেছিলেন উপ রাষ্ট্রপতির সচিব সুনীল গুপ্তা। বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে গোটা বিষয়টি জানান সুনীল। বিশেষ অধিবেশন ডেকে উপ রাষ্ট্রপতির ভাষণের ব্যবস্থা করা যায় কি না, সেটি খতিয়ে দেখছে বিধানসভার সচিবালয়। সচিবালয় সূত্রের খবর, সুনীল গুপ্তা দিনকয়েক আগেই বিধানসভায় এসেছিলেন। কিন্তু বিমানবাবু সেইসময় বিধানসভায় ছিলেন না। সুনীল তাঁর জন্য বিধানসভাতেই কিছুক্ষণ অপেক্ষা করেন। বিমানবাবু ফিরতেই তাঁদের মধ্যে কথা হয়। ওই সাক্ষাৎ পর্বে ধনকারের বার্তা বিমানবাবুকে জানানো হয়। কী কী বিষয়ে ধনকার ভাষণ দিতে চান তা বিধানসভা কর্তৃপক্ষকে আগাম জানাতে হবে বলেও তাঁকে জানিয়ে দেওয়া হয়।
Advertisement
উপ রাষ্ট্রপতির এমন প্রস্তাব সম্পর্কে বিমানবাবু তখনই কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। কারণ অতীতে বিধানসভায় এসে কোনও উপ রাষ্ট্রপতির ভাষণ প্রদানের নজির নেই। তাছাড়া প্রথা ও নিয়ম অনুযায়ী উপ রাষ্ট্রপতির ভাষণের জন্য একটি বিশেষ অধিবেশনও ডাকতে হবে। এই মুহূর্তে এখানে বাজেট অধিবেশন চলছে। ফলে এই পর্বে তা সম্ভব নয়। বিশেষ অধিবেশন ডেকে ধনকারের ইচ্ছে কবে পূরণ করা সম্ভব, তার ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে বিধানসভার অভ্যন্তরে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনা করেই এই ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বিমানবাবু।
তবে পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল ধনকারের ফের বিধানসভায় এসে বক্তব্য রাখার ইচ্ছাপ্রকাশ নিয়ে রাজনীতির অলিন্দে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। কারণ ধনকারের সময়কালে রাজভবন-নবান্নের বিরোধ বারবার খবরের শিরোনাম দখল করেছিল। রাজ্যের পরিষদীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, বিধানসভায় আমার ৩৩-৩৪ বছরের সময়কালে কোনও উপ রাষ্ট্রপতিকে আসতে দেখিনি। চাইলে তিনি বিধানসভায় আসতেই পারেন। তবে এই ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন স্পিকার ও মুখ্যমন্ত্রী। আর ধনকারের মনে বাংলা নিয়ে কী রয়েছে, তা তিনিই বলতে পারেন।
অন্যদিকে, বিজেপি সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য বলেন, জগদীপ ধনকারের এমন ইচ্ছা প্রকাশকে স্বাগত জানাচ্ছি। তিনি রাজ্যপাল থাকাকালীন তাঁর সঙ্গে রাজ্য সরকারের সম্পর্ক ছিল অম্লমধুর। তবে ধনকারের পাণ্ডিত্য, আইন সম্পর্কে জ্ঞান, শব্দচয়ন প্রভৃতি এককথায় অসামান্য! ফলে বিধানসভায় তিনি ভাষণ দিলে বিধায়করা যেমন তা শুনতে পাবেন, তেমনই তাতে বিধানসভারও গরিমা বৃদ্ধি পাবে।
তবে পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল ধনকারের ফের বিধানসভায় এসে বক্তব্য রাখার ইচ্ছাপ্রকাশ নিয়ে রাজনীতির অলিন্দে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। কারণ ধনকারের সময়কালে রাজভবন-নবান্নের বিরোধ বারবার খবরের শিরোনাম দখল করেছিল। রাজ্যের পরিষদীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, বিধানসভায় আমার ৩৩-৩৪ বছরের সময়কালে কোনও উপ রাষ্ট্রপতিকে আসতে দেখিনি। চাইলে তিনি বিধানসভায় আসতেই পারেন। তবে এই ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন স্পিকার ও মুখ্যমন্ত্রী। আর ধনকারের মনে বাংলা নিয়ে কী রয়েছে, তা তিনিই বলতে পারেন।
অন্যদিকে, বিজেপি সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য বলেন, জগদীপ ধনকারের এমন ইচ্ছা প্রকাশকে স্বাগত জানাচ্ছি। তিনি রাজ্যপাল থাকাকালীন তাঁর সঙ্গে রাজ্য সরকারের সম্পর্ক ছিল অম্লমধুর। তবে ধনকারের পাণ্ডিত্য, আইন সম্পর্কে জ্ঞান, শব্দচয়ন প্রভৃতি এককথায় অসামান্য! ফলে বিধানসভায় তিনি ভাষণ দিলে বিধায়করা যেমন তা শুনতে পাবেন, তেমনই তাতে বিধানসভারও গরিমা বৃদ্ধি পাবে।



