রায়পুর: মাওবাদী দমনে একের পর এক অভিযান। মিলছে সাফল্যও। সেই সফলতাকে হাতিয়ার করেই এবার দেশের পর্যটন মানচিত্রে ছত্তিশগড়কে তুলে ধরতে একাধিক পদক্ষেপ নিল বিষ্ণুদেও সাঁই প্রশাসন। উন্নয়ন যজ্ঞের এই পর্বে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হতে চলেছে বস্তার। একদা মাওবাদী হিংসায় দীর্ণ এই জেলাকেই পর্যটন শিল্পে ‘পাখির চোখ’ করেছে ছত্তিশগড় সরকার। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী সাঁই জানান, বস্তারকে মাওবাদী-মুক্ত করতে সমস্ত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। যে মাওবাদীরা সমাজের মূলস্রোতে ফিরতে চান, তাদের জন্য পুনর্বাসন প্রকল্প চালু করা হয়েছে। তাঁদের বিভিন্ন কাজের প্রশিক্ষণ দেওয়ার পাশাপাশি ভাতা বাবদ প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা দেওয়া হবে। আত্মসমর্পণকারী ও মাওবাদী হামলায় আক্রান্তদের জন্য ১৫ হাজার বাড়ি তৈরি করা হয়েছে। মাওবাদীদের দৌরাত্ম্য কমলেই পর্যটকদের কাছে বস্তার অন্যতম গন্তব্যস্থল হয়ে উঠবে। এখানকার চিত্রকূট জলপ্রপাত নায়াগ্রার মতোই সুন্দর। পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে এই জলপ্রপাতের সৌন্দর্য অত্যন্ত ভূমিকা নেবে। বস্তারের দুধমারাস গ্রামটি সেরা পর্যটন গ্রামের তকমা পেয়েছে। যা নতুন প্রত্যাশার জন্ম দিয়েছে।



