সংবাদদাতা, তেহট্ট: কাশ্মীরের পুলওয়ামা জঙ্গি হামলায় শহিদ হয়েছিলেন ৪২জন জওয়ান। যে ঘটনা সম্পূর্ণ ভারতের চেতনাকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। সেই জওয়ানদের একজন ছিলেন পলাশীপাড়া থানার হাঁসপুকুরিয়া গ্রামের সুদীপ বিশ্বাস। শুক্রবার সুদীপের ছবিতে মাল্যদান করে শ্রদ্ধা জানান তাঁর পরিবার ও এলাকার বাসিন্দারা। সেসময় রাজ্য সরকারের আধিকারিক থেকে শুরু করে মন্ত্রীরা অবধি শহিদের বোন ঝুম্পাকে সরকারি চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু তার ছ’বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও চাকরি পেলেন না ঝুম্পা। কেন্দ্রীয় সরকারের পুলওয়ামার ঘটনার তদন্তে কী ফল হল-তাও জানেন না তিনি। শুক্রবার দাদার ছবিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে ঝুম্পা ক্ষোভ উগরে দিলেন।
Advertisement
২০১৯সালের ১৪ফেব্রুয়ারির সকালে পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলায় শহিদ হয়েছিলেন ৪২জন জওয়ান। তাঁদের মধ্যে ছিলেন হাঁসপুকুরিয়া গ্রামের সন্ন্যাসী বিশ্বাস ও মমতা বিশ্বাসের একমাত্র ছেলে সুদীপ। ছুটি শেষ করে কর্মস্থল শ্রীনগরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন তিনি। পথে জম্মুতে তাঁর এক সহকর্মী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে দেখাশোনার জন্য সেখানে থেকে যান। ১৪তারিখ সেখান থেকে কর্মস্থলে যাওয়ার জন্য সেনা কনভয়ে ওঠেন। কিছুদুর যাওয়ার পর জঙ্গি হামলায় সুদীপ সহ ওই কনভয়ে থাকা সেনা জওয়ানরা শহিদ হন।
সুদীপের মৃতদেহ বাড়িতে আসার পর সরকারি আধিকারিক থেকে মন্ত্রী তাঁর বাড়িতে আসেন। সেসময় রাজ্য সরকারের তরফে শহিদ সুদীপের বোন ঝুম্পাকে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। তারপর পাঁচবছর কেটে গিয়েছে। এখনও অবধি ঝুম্পার চাকরি হয়নি। প্রায় ১০-১২বার আবেদন করেও ঝুম্পার চাকরি হয়নি।
এদিন নিজের বাড়িতে ভাইয়ের স্মৃতির উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধা জানান ঝুম্পা। তিনি বলেন, দাদা ২০১৪সালে চাকরি পেয়েছিল। মাত্র পাঁচবছরের মধ্যে জঙ্গি হামলায় শহিদ হয়। সেসময় কেন্দ্রীয় সরকার বলেছিল, ঘটনার তদন্ত হবে। সেই তদন্তের ফল কী হল, তা এখনও পর্যন্ত জানতে পারলাম না। আবার রাজ্য সরকারের আধিকারিকরা বাড়িতে এসে আমাকে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। তারপর ছয়বছর কেটে গিয়েছে। কিন্তু এখনও আমাকে চাকরি দেওয়া হল না। অনেকবার আমরা আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করেছি। ১০-১২বার কাগজপত্র জমা দিয়েছি। তারপরও কী কারণে চাকরি হল না, জানি না।
এদিন শহিদ দিবস উপলক্ষ্যে সুদীপের ছবিতে মালা দেন এলাকার বাসিন্দারা। এদিন দুর্গাপুর থেকে দু’জন সেনা আধিকারিক হাঁসপুকুরিয়ায় এসেছিলেন। তাঁরাও সুদীপের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
সুদীপের মৃতদেহ বাড়িতে আসার পর সরকারি আধিকারিক থেকে মন্ত্রী তাঁর বাড়িতে আসেন। সেসময় রাজ্য সরকারের তরফে শহিদ সুদীপের বোন ঝুম্পাকে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। তারপর পাঁচবছর কেটে গিয়েছে। এখনও অবধি ঝুম্পার চাকরি হয়নি। প্রায় ১০-১২বার আবেদন করেও ঝুম্পার চাকরি হয়নি।
এদিন নিজের বাড়িতে ভাইয়ের স্মৃতির উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধা জানান ঝুম্পা। তিনি বলেন, দাদা ২০১৪সালে চাকরি পেয়েছিল। মাত্র পাঁচবছরের মধ্যে জঙ্গি হামলায় শহিদ হয়। সেসময় কেন্দ্রীয় সরকার বলেছিল, ঘটনার তদন্ত হবে। সেই তদন্তের ফল কী হল, তা এখনও পর্যন্ত জানতে পারলাম না। আবার রাজ্য সরকারের আধিকারিকরা বাড়িতে এসে আমাকে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। তারপর ছয়বছর কেটে গিয়েছে। কিন্তু এখনও আমাকে চাকরি দেওয়া হল না। অনেকবার আমরা আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করেছি। ১০-১২বার কাগজপত্র জমা দিয়েছি। তারপরও কী কারণে চাকরি হল না, জানি না।
এদিন শহিদ দিবস উপলক্ষ্যে সুদীপের ছবিতে মালা দেন এলাকার বাসিন্দারা। এদিন দুর্গাপুর থেকে দু’জন সেনা আধিকারিক হাঁসপুকুরিয়ায় এসেছিলেন। তাঁরাও সুদীপের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান।



